পায়ের তলার মাটি শক্ত করে নিচ্ছেন সাকলাইন!

প্রত্যাশা যতটুকু ছিল তা কি পূরণ করতে পারলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন? উত্তরটা, শতভাগই পেরেছেন। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার পেছনে খুব সন্তর্পণে কাজ করে গেছেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে না ওঠা খেলোয়াড়দের মধ্যে আসরজুড়ে কেবল তিনিই ছিলেন নজরকাড়া পারফর্মার।

প্রত্যাশা যতটুকু ছিল তা কি পূরণ করতে পারলেন আবদুল গাফফার সাকলাইন? উত্তরটা, শতভাগই পেরেছেন। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার পেছনে খুব সন্তর্পণে কাজ করে গেছেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে না ওঠা খেলোয়াড়দের মধ্যে আসরজুড়ে কেবল তিনিই ছিলেন নজরকাড়া পারফর্মার।

বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের নিলাম থেকেই ছিলেন রাজশাহীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ। এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স টুর্নামেন্ট দিয়ে আলোচনায় আসার পর প্রথমবারের মতো বিপিএলের দরজা খুলে যায় সাকলাইনের সামনে। নিজেকে প্রমাণের বড় সুযোগ আসে, তবে চ্যালেঞ্জটা যে ছিল আরও বড়।

সাকলাইন নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন। জানতেই মঞ্চটাকে কাজে লাগালে ভাগ্যটা বশে নেওয়া যাবে। প্রতিটা ম্যাচেই তাই নিজের সবটা উজাড় করে দিয়েছেন।

নয় ম্যাচ খেলে নামে পাশে নয় উইকেট। ইকোনমি ছয়, সেরা বোলিং ফিগার ২৪ রানে চার উইকেট। ব্যাট হাতে চার ইনিংস ব্যাট করে রান পেয়েছেন ৫৪, স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৬০। এই পরিসংখ্যান দিয়ে অবশ্য তাকে মাপার উপায় নেই। প্রতিটা ম্যাচেই যে ইমপ্যাক্ট রেখেছেন তিনি।

রান আটকানোর দরকার হলে সেটাই করেছেন, ব্রেকথ্রু লাগলে এনে দিয়েছেন। আবার ব্যাট হাতে খেলেছেন ম্যাচ উইনিং নক। সবমিলিয়ে দলের জন্য যখন যা করার প্রয়োজন পড়েছে সেটাই তিনি করেছেন।

এবারের আসরে হাবিবুর রহমান সোহান, আরিফুল ইসলামদের নিয়েও প্রত্যাশা ছিল সাকলাইনের মতোই। সেই দাবি মেটাতে তারা পারেননি। তবে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে এসেছেন সাকলাইন। নিজের পায়ের তলার মাটি একটু একটু করে শক্ত করে নিচ্ছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link