স্বল্প রোশনাইয়ে আলোকিত বিপিএল

দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে স্বল্প সময়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে গেছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। যাদের অল্প সময়ের উপস্থিতি বিপিএলে যেমন যুক্ত করেছে ভিন্ন আলোকরশ্মি

দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে স্বল্প সময়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে গেছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। যাদের অল্প সময়ের উপস্থিতি বিপিএলে যেমন যুক্ত করেছে ভিন্ন আলোকরশ্মি, তেমনি তাদের দলকে দিয়েছে ক্ষনিকের স্বস্তি। এমন সব তারকাদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি। তাদের একটা তালিকা তৈরি করেছে খেলা ৭১।

  • অ্যাডাম রসিংটন (চট্টগ্রাম রয়্যালস)

এবারের বিপিএলে অ্যাডাম রসিংটন খেলেছেন মোটে ৬ ম্যাচ। এই ছয় ম্যাচেই তিনি নিজের ছাপ ফেলে গেছেন। ১৩৯.৪৫ স্ট্রাইকরেটে ২৫৮ রান করেছেন তিনি ৬৪.৫০ গড়ে। তিন ফিফটি ছাড়ানো ইনিংসে তিনি চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ফাইনাল খেলার মানসিক পুঁজি যোগান দিয়েছেন। তবে চোটের কারণে মাঝপথেই তাকে ফিরতে হয়েছে নিজ দেশে।

  • মুহাম্মদ ওয়াসিম (রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স)

শাহিবজাদা ফারহানের বদলি হিসেবে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স মুহাম্মদ ওয়াসিমকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। মাত্র চার ম্যাচেই তিনি প্রত্যাশার স্ফুলিঙ্গ জ্বেলে দিয়ে গেছেন। দুইটি ফিফটি ছাড়ানো ইনিংসের কল্যাণে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৮৮ রান। প্রায় ১৫৫ স্ট্রাইকরেটে ৬২.৬৬ গড়ে রান সংগ্রহ করেছেন তিনি। রাজশাহীর শিরোপা জয়ের রাস্তায় কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে দেননি।

  • হাসান ইসাখিল (নোয়াখালী এক্সপ্রেস)

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলের সাথে ছিলেন মোহাম্মদ নবীর ছেলে হাসান ইসাখিল। টুর্নামেন্টে ধুকতে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেস তাকে মাঠে নামায়ে একেবারে শেষভাগে। মাত্র তিন ম্যাচেই ইসাখিল নামের পাশে যুক্ত করে নেন ২২৪ রান। এক সেঞ্চুরি ও এক হাফসেঞ্চুরির এই যাত্রায় তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪৭.৩৬।

  • ক্রিস ওকস (সিলেট টাইটান্স)

এলিমিনেটরে এক ছক্কায় হৃদয় কেড়েছিলেন ক্রিস ওকস। শেষ বলে ছয় রানের সমীকরণ মিলিয়ে তিনি সিলেট টাইটান্সকে দেখিয়েছিলেন ফাইনালের স্বপ্ন। এর আগে অবশ্য বল হাতে তিনি রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ছিলেন দুর্ধর্ষ। দুই ম্যাচে বিপিএল ক্যারিয়ারে উইকেট বাগিয়েছেন তিনটি। ৬.৬২ ইকোনমি আর ওই এলিমিনেটরের ছক্কা কম আলোড়ন সৃষ্টি করেনি।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link