সাত ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সিদ্ধান্তকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা।দ্রুতই চূড়ান্ত অবস্থান জানাতে হবে পিসিবিকে। আর যেই সিদ্ধান্তই আসুক না কেন প্রতিটি সম্ভাব্য পথেই খেসারত গুনতে হবে পাকিস্তানকে। সেটা হতে পারে আর্থিক, ক্রীড়াগত কিংবা রাজনৈতিক।
এমনকি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও রাজনৈতিক টানাপোড়েনে পড়তে হতে পারে পিসিবিকে। এক সপ্তাহ ধরে কড়া অবস্থানের পর হঠাৎ স্বাভাবিক পথে ফেরা নিশ্চিতভাবেই সহজভাবে নিবে না পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞবৃন্দ। এছাড়াও এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।
কেবলমাত্র ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচটি বর্জন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে প্রথমত দুই পয়েন্ট হারাবে পাকিস্তান। আবার মাঠের বাইরেও পড়তে হবে অনেক ঝামেলাতেই। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না অনুষ্ঠিত হলে সম্প্রচারকারীদের পক্ষ থেকে বড় অঙ্কের আইনি পদক্ষেপের ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ক্ষতির কথা আলোচনায় এসেছে।

আর যদি সম্পূর্ণ বিশ্বকাপই বয়কট করার সিদ্ধান্ত আসে তাহলে ইতোমধ্যেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে নিষেধাজ্ঞা কিংবা একাধিক শাস্তির হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রেও বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে পিসিবিকে।
এছাড়াও বিশ্বমঞ্চের খেলা থেকে দূরে থাকার জন্যে খেলোয়াড়দের থেকেও অভ্যন্তরীণ চাপ তৈরি হতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট সমর্থকদের বিশাল একটা অংশও নিশ্চিতভাবেই চাইবে খেলাটা মাঠে গড়াক। সেক্ষেত্রে তাদের সমালোচনা কিংবা প্রতিবাদের শিকার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে পিসিবির।
সবশেষে নজর এখন পিসিবি প্রধানের ওপর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে পিসিবি। আর তাদের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গতিপথ।











