ঈশান কোণে ঝড় জমেছে

এসেই প্রথম সিরিজেই নিজেকে নতুন করে চেনালেন। বিশ্বকাপের আগে এটাই নি:সন্দেহে গৌতম গম্ভীরের দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

টপ অর্ডারে একজন উইকেটরক্ষক ব্যাটার দরকার ছিল ভারতের, সেই সমস্যার এমন রেডিমেড সমাধান নিয়ে যে ঈশান কিষাণ হাজির হয়ে যাবে, সেটা কেই বা ভেবেছিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই ফিরেছিলেন, আর সেই সিরিজের পুরোটা জুড়েই করলেন বাজিমাৎ।

আর পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষটা রাঙিয়ে দিলেন বিরাট এক ঝড় দিয়ে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন তিনি। একই সাথে ভারতের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজটা কমল, অফ ফর্মে থাকা সাঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে আর ঝক্কি পোহাতে হবে না তাঁদের।

৪২ তম ডেলিভারিতে সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছে যান। ৪৩ তম বলে আউট হওয়ার আগে করেন ১০৩ রান। ইনিংসে ছয়টি চারের সাথে ছিল ১০ টি ছক্কা। বাউন্ডারি থেকেই করেছেন ৮৪ রান। ভারতের ইতিহাসে এটা পঞ্চম দ্রুততম সেঞ্চুরি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্রুততম।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সুরিয়াকুমার যাদবের সাথে মিলে তিনি যোগ করেন ১৩৭ রান। এটা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেকোনো উইকেটে এটা ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি।

ভারতের টি-টোয়েন্টির পরিকল্পনায় একেবারেই ছিলেন না ঈশান। স্রেফ সাঞ্জু স্যামসন মানানসই হচ্ছিলেন না বলেই তাঁকে উড়িয়ে আনা। আর এসেই প্রথম সিরিজেই নিজেকে নতুন করে চেনালেন। বিশ্বকাপের আগে এটাই নি:সন্দেহে গৌতম গম্ভীরের দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

 

Share via
Copy link