ওরা তিনজন বিশ্বকাপে ভারতের মাথাব্যথার কারণ!

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফেভারিট তকমা নিয়ে মাঠে নামবে কোন দল? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে দ্বিতীয়বার ভাবার প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, ভারতই বিশ্বকাপ শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার। তবে বিশ্বকাপ যাত্রা যে এতটা সহজও হবে না। ভারতের সামনে যে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে থ্রি মাস্কেটিয়ারস। যারা ভারতের শিরোপা স্বপ্নে হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফেভারিট তকমা নিয়ে মাঠে নামবে কোন দল? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে দ্বিতীয়বার ভাবার প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, ভারতই বিশ্বকাপ শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার। তবে বিশ্বকাপ যাত্রা যে এতটা সহজও হবে না। ভারতের সামনে যে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে থ্রি মাস্কেটিয়ারস। যারা ভারতের শিরোপা স্বপ্নে হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন।

নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল টি-টোয়েন্টিতে খুব বেশি আলোচনায় না থাকলেও ভারতের বিপক্ষে তাঁর পারফরম্যান্স আলাদা গুরুত্ব দাবি করে। বিশেষ করে ভারতীয় কন্ডিশনে মিচেলের ব্যাটিং পরিসংখ্যান আরও ভয়ংকর।

এখানে খেলা ৩০ ম্যাচে তিনি করেছেন ১৪০০ রান, গড় ৫০। সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে ধারাবাহিকভাবে রান করেছেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে সাধারণত নিচের দিকে ব্যাট করলেও, চাপের মুহূর্তে ম্যাচ ধরে রেখে বা হঠাৎ গতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে ভারতের জন্য বড় হুমকিতে পরিণত করেছে।

ভারতকে পেলেই জ্বলে ওঠে যার ব্যাট তিনি কুইন্টন ডি কক। এ যেন অঘোষিত এক সত্য লেখা রয়েছে ব্যাটে। পরিসংখ্যান অন্তত সে কথাই বলে। ভারতে ৪০ ম্যাচ খেলে ডি কক করেছেন ১৮৫৫ রান, গড় ৪৬.৩৭ এবং স্ট্রাইক রেট ১১০-এর বেশি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তাঁর ৩১টি শতকের মধ্যে ৮টিই এসেছে ভারতের মাটিতে।

সব ফরম্যাট মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ৪৫ ম্যাচে তাঁর রান ১৯৮০, যা শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকেও ভারতের বিপক্ষে ডি ককের গড় প্রায় ৫০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৫০-এর ওপরে, যা পাওয়ারপ্লেতে ভারতীয় বোলারদের জন্য বড় পরীক্ষাই হয়ে দাঁড়ায়।

এই তালিকার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম ট্রাভিস হেড, ভারতের সবচেয়ে বড় হেডেক। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ম্যাচ উইনার তিনি। ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের শিরোপা স্বপ্ন ভেঙেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

ভারতের বিপক্ষে ৩৯ ম্যাচে হেডের সংগ্রহ ১৯০১ রান, গড় প্রায় ৪২ এবং স্ট্রাইক রেট ১০০-এর অনেক ওপরে। ভারতে ২২ ম্যাচে তাঁর রান ৯২৩, যার মধ্যে রয়েছে বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই স্মরণীয় শতক। একবার সেট হয়ে গেলে হেডের ইনিংসের জন্য কোনো সঙ্গীর প্রয়োজন পড়ে না, একাই ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার সামর্থ্য তাঁর আছে।

ভারত এই বিশ্বকাপে শক্তিশালী দল নিয়ে নামলেও, ড্যারিল মিচেল, কুইন্টন ডি কক ও ট্রাভিস হেড, এই তিন ব্যাটারকে আটকাতে প্রার্থনার বিকল্প নেই। কেননা এদের একটা ইনিংসই বিশ্বকাপের মঞ্চে বদলে দিতে পারে সব হিসাব-নিকাশ।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link