শহিদ আফ্রিদি তৈরি হচ্ছে পাকিস্তানে। সায়িম আইয়ুব হাঁটছেন আফ্রিদি হওয়ার পথেই। ব্যাট হাতে আগমনটা হলেও সময়ের পরিক্রমায় বোলিংটাকেও যে অস্ত্র বানিয়ে ফেলেছেন। আর নিজের দিনে ব্যাট প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা ভেস্তে কাজটা যে অন্তর্নিহিত ছিল আগে থেকেই। তাই তো আফ্রিদির আগ্রাসী সত্তার পুনর্জাগরণ এই সায়িম আইয়ুব।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটা পাকিস্তান নিজেদের করে নিয়েছিল আগেই। তবে পাকিস্তানের একটা শূন্যতার জায়গা ছিল সায়িম আইয়ুবের ব্যাটিং। বিশ্বকাপে তাঁকে স্বমহিমায় ফিরে পাওয়া যে বড্ড বেশি প্রয়োজন।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে জানান দিয়েছিলেন তিনি ফিরে আসছেন। তবে ৪০ রানেই থামতে হয়েছিল। তবে দুই উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ে রেখেছিলেন অগ্রণী ভূমিকা। দ্বিতীয় ম্যাচেও একই দশা। ২৩ রান করেই ফিরতে হলো। ইনিংস বড় করতে না পারার আক্ষেপ থাকলেও, শিকার করেছিলেন গলার কাঁটা ট্রাভিস হেডকে।

তবে শেষ ম্যাচটা সব আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিলেন। ফিফটির পর ব্যাট উঁচিয়ে ভরসার বার্তা পাঠালেন পাকিস্তান শিবিরে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক রূপ, অস্ট্রেলিয়ার দমবন্ধ করে রেখেছিলেন পুরোটা সময়। ৩০ বলেই ৫০ ছুঁয়ে ফেলা সায়িম শেষমেষ থেমেছেন ৫৬ রান করে। স্ট্রাইক রেট ১৫০–এর উপরে। ইনিংস জুড়ে হাঁকিয়েছেন ছয় চার আর দুই ছয়।
পাওয়ার-প্লেতে নিজের কাজটা করে গেছেন। শুরুতেই পায়ের তলার মাটি শক্ত করে দিয়েছেন পাকিস্তানকে। সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত বোলিং কারিশমা দেখিয়ে দলের ট্রাম্প কার্ড হয়ে উঠছেন।
বয়সটা সবে ২৩। ক্যারিয়ারটা এখনও শুরুর পথ অতিক্রম করতে পারেনি। ক’দিন আগেও টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ে সবার শীর্ষে উঠেছিলেন। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক না হলেও আগ্রাসনের কোনো কমতি তাঁর মাঝে নেই। আর সেটাই এক পুনর্জাগরণের বার্তা দিচ্ছে। নয়া আফ্রিদি নোঙর ফেলেছে পাকিস্তানের তীরে।












