জশ বাটলার রীতিমত হতভম্ব, তিনি তো বলেই বসলেন, ‘না না, এটা হতেই পারে না! এটা বাস্তব হতে পারে না। আর এমন ভাষায় কোনো নিয়ম লেখা থাকতে পারে না।’ এবারের বিশ্বকাপের আগে বেশ কিছু আইনে পরিবর্তন এনেছে এমসিসি। পেনাল্টি রানের ক্ষেত্রেও এনেছে খানিক পরিবর্তন। কিন্তু সেই আইনের শব্দ চয়ন নিয়ে অবাক জশ বাটলার ও স্টুয়ার্ট ব্রড।
এমসিসির ৪১.১৭.২ নম্বর আইনে বর্ণনা করা হয়েছে, ‘ম্যাচ শেষে পেনাল্টি রান সংক্রান্ত আইনে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমত, ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়ে যাওয়ার পর কিন্তু আম্পায়াররা মাঠ ছাড়ার আগেই যদি কোনো দল শাস্তিযোগ্য আচরণ করে, তাহলে পেনাল্টি রান দেওয়া যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ম্যাচের শেষ বলে ম্যাচ উইনিং শট খেলার পর ব্যাটার যদি উদযাপন করতে গিয়ে বোলারের মুখে ঘুষি মারে, তাহলে পরবর্তীতে সেই দল ম্যাচটি হেরে যাবে।’

এক পডকাস্টে বাটলারকে এই নিয়মই পড়ে শোনাচ্ছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। আর তখনই অবিশ্বাসের সুরে আবার প্রশ্ন করে বাটলার বলেন, ‘মানে সত্যিই কি ক্রিকেটের আইনে লেখা আছে-“বোলারের মুখে ঘুষি মারা”?’ ক্রিকেটকে বরাবরই ভদ্রলোকের খেলা হিসেবেই অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সেই ভদ্রলোকের খেলার আইনে এমন শ্রীহীন শব্দ চয়ন অবাক করার মত বিষয়ই বটে।
তবে এই আইনে বরং আরও অসদুপায়ের রাস্তা খুলে দিল। স্টুয়ার্ট ব্রডই তো বলে বসলেন, ‘তাত্ত্বিকভাবে তাহলে তো অভিনয়ের সুযোগ তৈরি হয়ে যায়। বোলাররা ডাইভ দেওয়া শুরু করতে পারে, তাই না? শেষ বলে চার খাওয়ার পর ব্যাটারের কাঁধে গিয়ে ধাক্কা লাগবে, মুখ চেপে ধরবে—আর ধপাস!’

তবে পেনাল্টি হিসেবে রান কর্তন করা হওয়ার পর যদি সুযোগ থাকে তবে ব্যাটিং ইউনিট ব্যাটিংয়ের নামতে পারবে। সেক্ষেত্রে তাদেরকে পেনাল্টি রান সংগ্রহ করতে হবে অবশিষ্ট থাকা বলগুলোর মধ্যে। ম্যাচ জেতার পর তাই উদযাপনের ক্ষেত্রেও এখন রান তাড়া করা দলকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। নতুবা, জটিলতায় পড়ে জেতা ম্যাচটাও হেরে যেতে পারে।











