পুরনো চোটে আবারও বিশ্বকাপ শেষ ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার

বিশ্বকাপ শেষ ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, একটি ম্যাচেই সমাপ্ত হাসারাঙ্গার যাত্রা।

বিশ্বকাপ শেষ ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি। পুরনো চোট নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন শ্রীলঙ্কান এই অলরাউন্ডার। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, একটি ম্যাচেই সমাপ্ত হাসারাঙ্গার যাত্রা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচেই চোটে পড়েন হাসারাঙ্গা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিতে নিজের কোটা পূর্ণ করেছিলেন তিনি। চার ওভারে তিন উইকেট বাগিয়ে নিয়েছিলেন স্রেফ ২৫ রান খরচায়। তাতে করে আইরিশদের বিপক্ষে ২০ রানের জয় দিয়ে শুরু হয় শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ যাত্রা।

শুভযাত্রাটা বেশিক্ষণ শুভ থাকেনি শ্রীলঙ্কার। কেননা দলের অন্যতম সেরা স্পিনারকে হারিয়েছে দলটি। ম্যাচের মধ্যে চোটাক্রান্ত হন হাসারাঙ্গা। এরপর পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে হ্যামস্ট্রিং বেশ বাজেভাবে ছিঁড়ে গেছে তার। তবে এই চোট মোটেও নতুন নয়। বরাবরই এই হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হয় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে।

এর আগে ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি। এই একই হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির জন্য। সেবার তো তাকে রীতিমত অস্ত্রপচার করাতে হয়েছিল। তারপর আবার ২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের আগেও তিনি একই ইনজুরিতে আক্রান্ত হন।

সর্বশেষ ২০২৫ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজেও তিনি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি আক্রন্ত হন। দুই পায়েই একাধিকবার এই একই ইনজুরি তাকে মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে ব্রারংবার। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিস করাও যুক্ত হয়ে গেল তার ক্যারিয়ারের পাতায়।

দুশান হেমান্তা হতে চলেছেন হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত। কিন্তু হাসারাঙ্গার ছিটকে যাওয়া শ্রীলঙ্কার জন্য বেশ বড়সড় দুশ্চিন্তার কারণ। তিনি ছিলেন দলের অন্যতম সেরা ম্যাচ উইনার। এমনকি টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বোচ্চ ১৫৪টি উইকেটের মালিক লঙ্কান এই লেগস্পিনার।

তার মত একজন বোলারকে বিশ্বকাপের মঞ্চে হারানো বেশ বড়সড় ক্ষতিই বটে। এই ক্ষতি পুষিয়ে এবারের বিশ্বকাপটা রাঙিয়ে যাওয়াই মূল চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কার জন্য।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link