সেইফার্ট-অ্যালেন ঝড়ে তছনছ সংযুক্ত আরব আমিরাত!

লং অফের ওপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকালেন টিম সেইফার্ট, তাতেই ১০ উইকেটের বিশাল জয় লেখা হলো নিউজিল্যান্ডের নামের পাশে। ততক্ষণে ফিন অ্যালেন এবং সেইফার্টের দাপুটে জুটির আগুনে পুড়ে ছাই হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। অসহায় তাকিয়ে দেখল এক ধংসযজ্ঞ।

লং অফের ওপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকালেন টিম সেইফার্ট, তাতেই ১০ উইকেটের বিশাল জয় লেখা হলো নিউজিল্যান্ডের নামের পাশে। ততক্ষণে ফিন অ্যালেন এবং সেইফার্টের দাপুটে জুটির আগুনে পুড়ে ছাই হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। অসহায় তাকিয়ে দেখল এক ধংসযজ্ঞ।

টস জিতে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। মোহাম্মদ ওয়াসিম এবং আলিসান শারাফুর কাঁধে চেপে ভিতটা শক্ত করে তোলে। ওই জুটি থেকে আসে ১০৭ রান। কিউই বোলারদের দাপটের সামনে চোখে চোখ রেখেই লড়াই চালিয়েছেন এই দুই ব্যাটার।

শারাফু ফিফটির পর ফিরে গেলেন ঠিকই। তবে ওয়াসিম শেষ পর্যন্ত উইকেটে পড়ে থাকলেন। ৪৫ বলে ৬৬ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দিলেন দলকে। তাতেই ১৭৩ রানের সংগ্রহ তোলে আরব আমিরাত।

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারের সামনে লক্ষ্যটা যতসামান্যই ছিল। তবে আমিরাতের সম্ভাবনার দুয়ার একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়নি তখনও। ইনিংস শুরু হতেই ভয়ঙ্কর রূপে আবির্ভূত হলেন দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট এবং ফিন অ্যালেন। বাকীটা ইতিহাস।

দুই ব্যাটার যেন ধংসযজ্ঞ চালালেন আমিরাত বোলারদের উপর। কোন রকম সুযোগই দিলেন প্রতিপক্ষ বোলারকে। সম্ভাবনার সব দুয়ারই মুখের ওপর বন্ধ করে দিলেন এই দুই ব্যাটার। দলের স্কোরবোর্ড ৫০ পেরলো, শতক এলো, তারপর ১৫০ এর গণ্ডি পেরিয়ে জয়ের সীমানারেখায় পা রাখল নিউজিল্যান্ড। তবে কোন উইকেটের দেখা পেল না বোলাররা।

সেইফার্টের ব্যাট থেকে ৮৯ ব্যাট করেছেন ২১১ স্ট্রাইক রেটে, সহযোদ্ধা অ্যালেনের ব্যাট থেকে আসে ৮৪ রান। তাতেই ২৮ বল এবং ১০ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। ১৭৪ রান তাড়া করতে নেমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে যেকোন উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়লেন সেইফার্ট এবং অ্যালেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link