শুভাম রাঞ্জানে ও শায়ান জাহাঙ্গীরের সংগ্রামকে ফিকে বানিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। শাহিবজাদা ফারহানের শুরুর আগ্রাসন, শাদাব খানের ঝড়ো ক্যামিও, সেই সাথে বাবর আজমের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের মিশ্রণে পোক্ত জয়ের ভীত গড়ে পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রকে সেই ইমারত আর টপকাতে দেনননি উসমান তারিক, শাহিন শাহ আফ্রিদিরা।
টসে জিতে যুক্তরাষ্ট্রের বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। সাইম আইয়ুবের সংগ্রামে মনে হয়েছিল সঠিক। কিন্তু শাহিবজাদা ফারহান যুক্তরাষ্ট্রের সকল স্বপ্নের বেলুনের বাতাস নাই করে দেন ব্যাটিং তাণ্ডবে। ৪১ বলে ৭৩ রান যুক্ত করেন তিনি পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে। শক্ত ভীতের উপর দাঁড়িয়ে ২০০ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়তে চেয়েছিল পাকিস্তান।

সেই ভাবনাতে চার নম্বরের নতুন দায়িত্ব বাবরও চালালেন সাবলীল ধারায় ব্যাট। এরপর শাদাবের ১২ বলের ৩০ রানের ঝড় পাকিস্তানের ২০০ রানের ভাবনাকে রেখেছিল উজ্জ্বল। বাকি ব্যাটাররা ঠিকঠাক সঙ্গ দিতে না পারায় ১৯০ রানে থামে পাকিস্তানের সংগ্রহ। হারাতে হয় নয় উইকেট। আগের দিন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বিপর্যয়ের চাইতে অবশ্য এদিনটা পাকিস্তানের জন্য ছিল ভাল।
জবাব দিতে নেমে শায়ান জাহাঙ্গীর চোখে চোখ রেখেই লড়াই করলেন। কিন্তু দলের বাকিরা সেই অর্থে শায়ানের সাথে তাল মেলাতে পারেননি। শাদাব খানরা দেননি বললেই বরং ঠিকঠাক বর্ণনা করা হয়। এক সাইম আইয়ুব ছাড়া পাকিস্তানের প্রত্যেক বোলারই উইকেটের দেখা পেয়েছেন এদিন।

তবে উজ্জ্বল আলো ছড়িয়েছেন উসমান তারিক ও শাদাব খান। উসমান তো দাঁড়িয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের দ্বারপ্রান্তে, শেষ অবধি অবশ্য তার হ্যাটট্রিক পাওয়া হয়নি। শাদাব বাগিয়ে নেন দুইটি উইকেট। তাতে করে শায়ানের ৩৪ বলে ৪৯ ও শুভামের ৩০ বলে ৫১ রান যথেষ্ট হয়নি যুক্তরাষ্ট্রে জয়ের জন্য। ৩২ রানের জয় নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের অপেক্ষায় এখন সালমান আঘা ও তার দল।











