বরুণের ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড নামিবিয়া

এক বরুণ চক্রবর্তীর রহস্য উদঘাটন করতে গিয়েই চাকানিচুবানি খেয়েছে নামিবিয়া। পাকিস্তান ম্যাচের আগে বরুণের ধূর্ততার শাণ দিতে পারা ভারতের জন্য বাড়তি স্বস্তি।

এক বরুণ চক্রবর্তীর রহস্য উদঘাটন করতে গিয়েই চাকানিচুবানি খেয়েছে নামিবিয়া। পাকিস্তান ম্যাচের আগে বরুণের ধূর্ততার শাণ দিতে পারা ভারতের জন্য বাড়তি স্বস্তি। এই মিস্ট্রি স্পিনারের সৃষ্ট ঘূর্ণিপাকে পড়ে লড়াই করবার সমস্ত রসদ খুইয়ে নিঃস্ব হয়েছে পুচকে নামিবিয়া।

প্রতিপক্ষে ভারত, নামটা বিশাল বড়। স্কোরবোর্ডে তারা তুলে দিয়েছে ২১০ রানের লক্ষ্যমাত্রার পাহাড়। সেই পাহাড় ডিঙিয়ে জয় পাওয়া সে তো এক আকাশ-কুসুম স্বপ্ন। তবুও একটু বুক চিতিয়ে লড়াই করতে চাইল নামিবিয়া। যতটা পথ যাওয়া যায় আরকি। কিন্তু পথের মাঝে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে যান বরুণ চক্রবর্তী। টপ অর্ডারের দুই ব্যাটারসহ মোট তিন খানা উইকেট নিজের ঝুলিতে যুক্ত করেন বরুণ।

খর্বশক্তির নামিবিয়াকে কোণঠাসা করেছেন তিনি রানের দিক দিয়েও। দুই ওভারে খরচা করেছেন মাত্র ৭ রান। অক্ষর প্যাটেল, হার্দিক পান্ডিয়া দুইটি করে উইকেট তুলে নিলে, ১১৬ রানে গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয় নামিবিয়া। তবে এর আগে এদিন বাউন্ডারি উৎসবে মেতে উঠেছিলেন ভারতের ব্যাটার। বিশেষ করে ঈশান কিষাণ।

মাত্র ২৪ বলে ১১ বাউন্ডারিতে তিনি করেন ৬১ রান। এরপর হার্দিক পান্ডিয়া আটখানা বাউন্ডারির সমন্বয়ে করে ২৮ বলে ৫২ রান। এই দুই ব্যাটারের কল্যাণেই ২০৯ রানের পুঁজি পায় ভারত। যদিও ওপেনিংয়ে ঈশানের তাণ্ডবে একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ‘এই বুঝি ভারত ৩০০ করে ফেলল’।

কিন্তু দলের লোয়ার মিডেল অর্ডার এলোমেলো সিদ্ধান্তে ২৩০ অবধিও পৌঁছাতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। এমন তালগোল পাকিয়ে ফেলার মত দুরবস্থা পাকিস্তান ম্যাচে নিশ্চয়ই করতে চাইবে না ভারত। ৯৩ রানের বিশাল জয়ের পরও তাই, গৌতম গম্ভীর নিশ্চয়ই বসে যাবেন  পরিকল্পনার নীল নকশা হাতে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link