ক্রিকেটবিশ্বে এক প্রকার সাড়া ফেলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬ এর আসর থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর সেই সুযোগ দুই হস্তভরে লুফে নিয়েছিল লাহোর কালান্দার্স। নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তিতে ছয় কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপির বিনিময়ে মুস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় লাহোর। মুস্তাফিজের সাথে লাহোরের স্কোয়াডে রয়েছে অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি ও গতি তারকা হারিস রউফের নামও।
মুস্তাফিজ, শাহীন এবং রউফ – তিন ধাচের তিনজন পেসারকে নিয়ে যেন এক অপ্রতিরোধ্য পেস বোলিংত্রয়ী তৈরি করেছে লাহোরের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তাই লাহোরের বোলিং বিভাগে স্বাভাবিকভাবেই দর্শকদের বাড়তি নজর থাকবে।
ম্যাচের শুরুতেই অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদির সুইং, ম্যাচের মিডল ওভারগুলোতে হারিস রউফের গতির ঝলক এবং ডেথ ওভারে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বোলার মুস্তাফিজ! এ যেন রীতিমতো এক সোনায় সোহাগা পেস ইউনিট গড়লো লাহোর।

এর আগেও ২০১৮ সালে লাহোরের জার্সি গায়েই পিএসএলে ছাপ রেখেছিলেন মুস্তাফিজ। সেই আসরে পাঁচ ইনিংসে বল হাতে নিয়ে চার উইকেট শিকার করেছিলেন দ্যা ফিজ। উইকেটের সংখ্যাটা বেশি না হলেও ওভার প্রতি দিয়েছেন ৬.৪৩ রান।
প্রায় অর্ধযুগ পর লাহোরের জার্সি গায়েই আবারও পিএসএলে প্রত্যাবর্তন ঘটতে যাচ্ছে ফিজের। সতীর্থ হিসেবে দলে পাচ্ছেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা দুই পেসারকে।
পিএসএলে ৮৩ ইনিংস বল করতে নেমে ২০.৩১ রান প্রতি একটি করে মোটে ১২২টি উইকেট নিয়েছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ৬৯ ইনিংস বল করতে নেমে ৮৩ জন ব্যাটারকে ড্রেসিং রুমে ফিরিয়েছেন রউফ।
বল হাতে দারুণ ফর্মে রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানও। আর সেই সুবাদেই আইপিএলে রেকর্ড গড়া মূল্যে কলকাতা নাইট রাইডার্সে জায়গা করে নিয়েছিলেন দ্যা কাটার মাস্টার। মুস্তাফিজ, শাহীন ও রউফকে নিয়ে গড়া এই পেস আক্রমণ নিশ্চিতভাবেই অন্য দলগুলোর চেয়ে লাহোরকে এগিয়ে রাখবে।











