ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথে সর্বোচ্চ রান করেছেন কারা?

ক্রিকেট পাতায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি আবেগ, চাপ আর ঐতিহ্য ধরে রাখার ভার। তাই আজকের আয়োজনে থাকছে ভারত-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দ্বৈরথে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকা।

ক্রিকেট পাতায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি আবেগ, চাপ আর ঐতিহ্য ধরে রাখার ভার। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের ক্রিকেটীয় লড়াই দেখতে মাসের পর মাস অপেক্ষমান থাকে ক্রিকেটপ্রেমীরা। আজকের আয়োজনে থাকছে ভারত-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দ্বৈরথে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকা।

  • শাহিবজাদা ফারহান (১৫৫ রান)

তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে তালিকার একমাত্র নাম শাহিবজাদা ফারহান। তিন ইনিংস খেলতে নেমে ৫১.৭ গড়ে ১৫৫ রান করেছেন পাকিস্তানি এই ওপেনার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে ভারতের বিপক্ষে আবারও ফারহানের থেকে অনবদ্য পারফরম্যান্সেরই প্রত্যাশা থাকবে পাকিস্তানি সমর্থকদের।

  • মোহাম্মদ হাফিজ (১৫৬ রান)

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের সাথে আট ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুইটি অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ। মোট সংগ্রহ করেছেন ১৫৬ রান।

  • শোয়েব মালিক (২২৮ রান)

অভিজ্ঞতা আর ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার দক্ষতায় শোয়েব মালিক ছিলেন পাকিস্তানের বড় ভরসা। ভারতের সাথে টি-টোয়েন্টিতে নয় ম্যাচে সংগ্রহ করেছেন ১৬৪ রান, সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ৫৭।

  • মোহাম্মদ রিজওয়ান (২২৮ রান)

পাঁচ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২২৮ রান নিয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ম্যাচ প্রতি সংগ্রহ করেছেন ৫৭ রান! তবে স্ট্রাইকরেটটা মাত্র ১১১.৭৬। ধীরগতির ফলেই পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

  • বিরাট কোহলি (৪৯২ রান)

তালিকার সবচেয়ে উপরের নামটি আধুনিক ক্রিকেটের মহারাজা খ্যাত বিরাট কোহলির। একমাত্র ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে বিরাটের নামই আছে এই তালিকার শীর্ষে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সাথে ব্যাট হাতে নামলেই যেন আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতেন বিরাট। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ১১ ম্যাচে ৪৯২ রান সংগ্রহ করেছেন বিরাট। ম্যাচ প্রতি নিয়েছে ৭০.২৮  রান!

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link