ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে নেপালের অসহায়ত্ব!

জেসন হোল্ডারের দাপুটে বোলিং আর শাই হোপের ব্যাটিং দৃঢ়তায় হেসেখেলেই নেপালকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাবধানটা দাঁড়াল ২৮ বল এবং নয় উইকেটের। তাতেই সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

জেসন হোল্ডারের দাপুটে বোলিং আর শাই হোপের ব্যাটিং দৃঢ়তায় হেসেখেলেই নেপালকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাবধানটা দাঁড়াল ২৮ বল এবং নয় উইকেটের। তাতেই সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ওয়াংখেড়েতে টস জিতে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ক্যারিবীয়রা। আর শুরু থেকেই চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। ফলস্বরুপ ২৩ রানেই চার উইকেট হারিয়ে একেবারে কোনঠাসা তখন নেপাল। একটা শঙ্কা জেগে ওঠে, ১০০ রানের সীমানা পার করা যে তখন কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। লড়াইয়ের জন্য যতসামান্য পুঁজি যে দরকার।

দীপেন্দ্র সিং আইরি সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণের বিপরীতে বুক ফুলিয়ে লড়াই চালালেন। শেষপর্যন্ত তাঁর ব্যাট থেকে এলো ৫৮ রানের এক লড়াকু ইনিংস। তাতেই ১৩৩ রান স্কোরবোর্ডে তোলে নেপাল। বল হাতে গুরুদায়িত্ব পালন করেন হোল্ডার। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২৭ রান খরচায় শিকার করেন চার উইকেট।

লক্ষ্যটা খুব বেশি নয়। ব্যাটাররা ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন। সব মিলিয়ে সহজ জয়ের হাতছানি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে। সেটাই হলো। ওপেনিং জুটিতেই এলো ৪৩ রান। ব্রান্ডন কিং ২২ রানে ফিরে যান। ওটাই নেপালের একমাত্র সাফল্য। কাপ্তান শাই হোপের ৬১ এবং শিমরন হেটমায়ারের অপরাজিত ৪৬ রানের সুবাদে নয় উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ক্যারিবীয় শিবির। সেই সাথে নিশ্চিত হয়ে যায় সুপার এইট।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link