অভিষেক শর্মা খেলুক, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন সালমান আলী আঘা। আর সেই সালমানই তুলে নিলেন অভিষেকের উইকেটখানা। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথে প্রথম ওভারেই পিছিয়ে পড়ে টিম ইন্ডিয়া।
দলের স্পিনার আছেন আরও পাঁচজন। সালমান পাকিস্তানের আট নম্বর বোলিং অপশন। সেই সালমানই হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথম ওভারে হাতে তুলে নিলেন বল। ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেটে এদিন বল খানিকটা থমকে আগাচ্ছিল। ভারতের দুই বা-হাতি ব্যাটারদের দ্বিধার রাজ্যের ঠেলে দিলেন সালমান আলী আঘা। আক্রমণই যাদের কাছে শেষ কথা, সেই অভিষেক আর ঈশান কিষাণকে একটু দেখেশুনেই ব্যাটটা চালাতে হল।

তিন খানা বল অভিষেক সামলালেন। কিন্তু চতুর্থ বলে আর নিজেকে আটকে রাখতে পারলেন না। চালালেন শট। থমকে যাওয়া বলের সাথে ব্যাটের সংযোগটা হল না ঠিকঠাক। মিড অনে ক্যাচ। এই কৃতীত্ব অবশ্য সালমান আলী আঘার প্রাপ্য।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে আলোচনার হট টপিক হয়ে উঠেছিলেন উসমান তারিক। আনঅর্থোডক্স সেই বোলারের চিন্তাতেই প্রস্তুতির দিন কেটেছে ভারত দলের। কিন্তু চিন্তার বাইরে থেকে সালমান এলেন প্রথম ওভারে। ভরকে দিতে চাইলেন ভারতকে। সে কাজটাও তিনি করলেন। টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটারকে ফেরালেন তিনি।
দিনশেষে রান যতই হোক না কেন ভারতের স্কোরবোর্ডে, আফসোসের দোলাচল উঠবে ঠিকই। সেই ভাবনার জায়গাটা তৈরি করে দিয়ে যেতে পেরেছেন অন্তত সালমান আঘা। এই পীড়া চিরপ্রতিদ্বন্দীর কোর্টে ঠেলে দেওয়াও কার্যকারিতা। আর অধিনায়ক হিসেবে ইনিংসের শুরুতে বল করার চাপ সামালে বোলিং করা মোটেও নয় চাট্টিখানি কথা- যখন আপনি দলের আট নম্বর বোলিং বিকল্প।












