২০২১ সালেই শেষ বাবর-শাহীনের উজ্জ্বলতা

করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ক্রিকেটের যেন টি-টোয়েন্টিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটেছিল। সেই উত্থানের মূলনায়ক ছিলেন বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ রিজওয়ানেরা। তবে কালের পরিক্রমায় তারা যেন নিজেদের হারিয়ে খুজঁছেন। 

করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ক্রিকেটের যেন টি-টোয়েন্টিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটেছিল। সেই উত্থানের মূলনায়ক ছিলেন বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ রিজওয়ানরা। তবে, কালের পরিক্রমায় তারা যেন নিজেদের হারিয়ে খুজঁছেন।

২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্ব আসরে ভারতকে দশ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করেছিল বাবরেরা। স্বাভাবিকভাবেই সবাই ভেবেই নিয়েছিল, এবার বুঝি ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের নতুন সূচনা হবে। তবে ঐ এক ম্যাচ পর্যন্তই ছিল পাকিস্তানের দৌড়। তারপরে আর একটি ম্যাচও জেতা হয়নি তাদের।

আলোচ্য বিশ্বকাপে ছয় ইনিংস ব্যাট করতে নেমে ৬০.৬০ গড়ে ৩০৩ রান করেছিলেন বাবর। রান সংগ্রাহকের তালিকায় নিজের নামটা রেখেছিলেন সবার উপরেই। তবে সেটাই যেন ছিল বিশ্ব আসরে তার শেষ ঝলক।

২০২১ সালের পর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচেই টেস্ট খেলুড়ে দলের সাথে একটাও ছক্কা হাঁকাতে পারেননি বাবর। পারফরম্যান্সেরও যাচ্ছে তা অবস্থা। এমনকি এশিয়া কাপে তাকে দল থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যদের ব্যর্থতার সুবাদে বাবর ফিরলেও, রিজওয়ানের আর ফেরা হয়নি।

তাদের সতীর্থ শাহীন আফ্রিদিরও যেন বেহাল দশা। সেই ম্যাচের পর থেকে ভারতের সাথে ছয় বারের মুখোমুখিতে কেবল তিনটি উইকেট শিকার করেছেন এই পেসার। উইকেট প্রতি দিতে হয়েছে ৫৯ রান! ওভারপ্রতি দিয়েছেন প্রায় নয় রান করে।

কয়েকবছর আগেও যে তিনজনকে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় তারকা ভাবা হত, তাদের এই পতন ভীষণ বাজেভাবে ভোগাচ্ছে পাকিস্তান দলকে। পাকিস্তানের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে মাঠের ক্রিকেট ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তেজনা বিলুপ্তপ্রায়।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link