সুরিয়ার উদযাপনলগ্নে আঘার আক্ষেপ

ম্যাচ শেষে গ্যালারি ভর্তি স্টেডিয়ামের সামনে সুরিয়াকুমার যাদবের প্রফুল্লতা ও উচ্ছ্বাসই বলে দেয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানের বিশাল ব্যবধানে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে সুরিয়া যেন এক বুক গর্ব নিয়ে ঘোষণা করলেন, ''এই জয় দেশের জন্য, এই জয় ভারতের জন্য।''

ম্যাচ শেষে গ্যালারি ভর্তি স্টেডিয়ামের সামনে সুরিয়াকুমার যাদবের প্রফুল্লতা ও উচ্ছ্বাসই বলে দেয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানের বিশাল ব্যবধানে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে সুরিয়া যেন এক বুক গর্ব নিয়ে ঘোষণা করলেন, ‘এই জয় দেশের জন্য, এই জয় ভারতের জন্য।’

ম্যাচ শেষে সুরিয়া অকপটে স্বীকার করলেন, পিচ মোটেও সহজ ছিল না। কঠিন কন্ডিশনে ভারতের তোলা ১৭৬ রানকে তিনি ‘যথেষ্টর চেয়ে বেশি’ মনে করছেন। বিশেষ করে ওপেনার ইশান কিষাণের লড়াকু ইনিংসকে তিনি আলাদাভাবে সম্মান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে ধরনের ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম, ঠিক সেটাই মাঠে করে দেখিয়েছি। শুরুতেই অভিষেক আউট হওয়ায় পরিস্থিতি সামলে কেউ একজনকে দায়িত্ব নিতেই হতো, আর ইশান আজ সেটাই দুর্দান্তভাবে করেছে।’

অন্যদিকে হারের পর পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আঘা কোনো অজুহাত দেননি। বরং স্পষ্ট ভাষায় আঙুল তুলেছেন দলের স্পিন আক্রমণের দিকে। পাওয়ারপ্লেতে উইকেট হারানো এবং মাঝের ওভারে স্পিনারদের ছন্দহীন বোলিংই ম্যাচ থেকে তাদের ছিটকে দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

আক্ষেপের সুরে আঘা বলেন, ‘আমাদের স্পিনারদের দিনটি আজ ভালো কাটেনি। গত ছয় মাস ধরে তারা দারুণ খেললেও আজকের দিনে পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়নি। টপ-অর্ডার দ্রুত সাজঘরে ফেরায় আমরা শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলাম।’

এই হারের ফলে ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি এখন পাকিস্তানের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে তিন ম্যাচে তিনটিতেই জয়ের ফলে সুপার আটে ইতোমধ্যে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link