এই স্মিথকে কি অচেনা লাগে?

ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর দানবীয় শট, বোলারদের পরিকল্পনা উড়িয়ে ফেলছেন মাঠের বাইরে। স্টিভেন স্মিথ যেন ক্ষুধার্ত এক বাঘ, গর্জন তুলতে  তুলতে শিকারে নেমেছেন।

ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর দানবীয় শট, বোলারদের পরিকল্পনা উড়িয়ে ফেলছেন মাঠের বাইরে। স্টিভেন স্মিথ যেন ক্ষুধার্ত এক বাঘ, গর্জন তুলতে  তুলতে শিকারে নেমেছেন।

প্রতিপক্ষ ছুড়ে দিয়েছে ২২৬ রানের লক্ষ্য, বিশেষ কিছু করতে হবে জিততে হলে। সেই বিশেষ কিছুর সূচনা করতেই স্মিথ নামলেন ওপেনিংয়ে। পূর্বাভাস ছাড়াই লাহোরে উঠল এক কালবৈশাখী ঝড়।

নামের পাশে টেস্টের সেরা ব্যাটারের তকমা লেপ্টে আছে। টি-টোয়েন্টি বরাবরই কিছুটা উপেক্ষিত হয়েছেন বিশ্বময়দানে। তবে পোশাক বদলালে যে রূপ বদলে ফেলা যায়, এই তত্ত্বের আবিষ্কারক যে স্মিথই।

বিগ ব্যাশে ঝড় উঠিয়েছিলেন, সেটাকে টেনে আনলেন পাকিস্তানেও। নিজের দানবীয় সত্তার পূর্ণাঙ্গ রূপটা দেখালেন হায়দ্রাবাদের বোলারদের। ২০ বলে ৪৬, দুই চার আর চার ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ২৩০। এই স্মিথকে কি বড্ড বেশি অচেনা লাগে?

সেটা লাগতেই পারে, তবে ওই যে পোশাকের সাথে নিজের ভেতরের ঝড়ো স্মিথকেও নিয়ে এসেছেন তিনি। এটা তারই এক ঝলক। বড় সংগ্রহ তাড়া করতে হলে কী করতে হবে, সেটা অভিজ্ঞতার ঝুলি কাঁধে দাঁড়িয়ে থাকা স্মিথের চেয়ে ভালো কে জানত। তরুণ তুর্কি শাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গে নিয়ে তাই অসম্ভবকে সম্ভব করার মিশনে নামলেন। স্মিথ বোঝালেন, এতদিন আমায় চিনতে পারোনি কেউ। আমি তো এমনই ছিলাম, স্রেফ সাদা পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে থাকা দানবকে দেখা যায়নি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link