মিডল অর্ডারে নিজেকে মেলে ধরতে পারছিলেন না ইমন। তবে নিজের চেনা জায়গা ওপেনিং পজিশনে ফিরেই রাজত্ব কায়েম করলেন। ১৯ বলে ৪৫ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে অবশেষে দিয়েছেন লাহোরের আস্থার প্রতিদান। এতদিন এই ইমনকেই তো খুঁজছিল সবাই।
১৩ ওভারের ম্যাচ, ইমনের জায়গা হলো ওপেনিংয়ে। সামনে স্রেফ একটাই লক্ষ্য, প্রতিটা বল মারতে হবে। ঠিকঠাক মেলে ধরতে পারেননি প্রথম দুই ম্যাচে, সর্বসাকুল্যে করেছেন মোটে ২৬ রান।
নিজেকে হারিয়ে খোঁজা ইমন অবশেষে ছন্দ খুঁজে পেলেন ওপেনিংয়ে। মুলতান সুলতানের বিপক্ষে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দিলেন। তবে শুরুটা এদিনও খুব একটা আশা জাগানিয়া হয়নি। প্রথম নয় বলে করেছিলেন মাত্র সাত রান। আরও এক ব্যর্থ দিনেরই আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। তবে মোহাম্মদ নাওয়াজের এক ওভারেই সবটা পুষিয়ে নিলেন।

দুই ছয় আর এক চার হাঁকিয়ে তুললেন ওই ওভার থেকে, আদায় করলেন ১৯ রান। শেষ বলে নিজের কাছেই স্ট্রাইকটা রাখলেন। ফয়সাল আকরামকে অভ্যর্থনা জানালেন হ্যাট্রিক ছক্কা হাঁকিয়ে। বোলাররা যেন লাইন-লেন্থ সব ভুলে বসে আছে। ইমনকে থামানোর কোনো উপায় নেই।
প্রথম নয় বলে মাত্র সাত রান করা ইমন, পরবর্তী দশ বলে করলেন ৩৮ রান। শেষমেষ মোহাম্মদ ইসমাইলের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে, তবে মুলতানের যা ক্ষতি হওয়ার ততক্ষণে হয়ে গেছে।
১৯ বলে ৪৫ রান, হাঁকিয়েছেন পাঁচখানা ছক্কা। ইমনের কল্যাণে ওপেনিং জুটিতেই লাহোর তুলেছে ৮৬ রান। তাও মাত্র পাঁচ ওভার থেকে। পিএসএলে প্রথম দুই ম্যাচের ব্যর্থতা ছাপিয়ে ইমন ফিরেছেন চেনা ছন্দে, দিনশেষে স্বস্তির খবর যে এটাই।

Share via:











