দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। আরও একটা কাজও করা যায়, সেটা দেয়াল ভেঙে ফেলা। সাঞ্জু স্যামসন সেই দেয়াল ভেঙে ফেললেন সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে। চাপ, প্রত্যাশা, আর শঙ্কার পাহাড় গুঁড়িয়ে দিলেন, গর্জন তুললেন চিপকের বুকে দাঁড়িয়ে। সেই সাথে হলুদ সমুদ্রে ফিরিয়ে দিলেন স্বস্তির সুবাতাস।
অবশেষে অন্ধকার কাটল, ভোরের স্নিগ্ধ আলো এসে পড়ল সাঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে। চেন্নাই সুপার কিংস যে স্বপ্ন দেখছিল তাঁকে ঘিরে, সেটার পূর্ণতা এলো।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মহানায়ক ছিলেন সাঞ্জু। চেন্নাই তাই আশায় বুক বেঁধেছিল, ধারণা করা হচ্ছিল দিশারি হয়ে পথ দেখাবেন তিনি। তবে ভাগ্যের নির্মমতায় প্রথম তিন ম্যাচে নিজেই পথ খুঁজে পেলেন না।

ছয়, সাত, নয়। গত তিন ইনিংসে এক অঙ্কের ঘর একবারও পেরোতে পারেননি তিনি। সব মিলিয়ে একেবারে কোনঠাসা হয়ে পড়েছিলেন সাঞ্জু। তবে বের হওয়ার রাস্তা নিজেই জানতেন। সে পথ দিয়েই ফিরে এলেন।
স্বরূপে ফেরার দিনে দিল্লির বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন। ব্যাটে সেই পরিচিত আগ্রাসন, ধ্বংসাত্মক ক্লাসিক মুড। ৫২ বল খেলে ব্যাটখানা উঁচিয়ে ধরলেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দিল্লি শাসন চলল। শেষটাতে ১১৫ রানে অপরাজিত থেকেই ফিরলেন ড্রেসিংরুমে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এবারের আসরে প্রথম সেঞ্চুরি, চেন্নাইয়ের জার্সিতেও এটাই প্রথম, আইপিএল ইতিহাসে চারবার তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়ার কীর্তি। সবকিছুই যেন জানান দিল, ফিরে এসেছে সাঞ্জু, বাইশ গজ ফিরে পেয়েছে চেনা বন্ধুটিকে।

Share via:











