ইনিংসের প্রথম বলেই জোফরা আর্চারের শিকার হয়ে ফিরতে হয় অভিষেক শর্মাকে। দলের ব্যাটিং শক্তির বড় অংশকে শুরুতেই হারিয়ে একেবারে কোনঠাসা হয়ে যায় হায়দ্রাবাদ। সেখান থেকেই হাল ধরেন ইশান। চাপকে উল্টে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালান রাজস্থান রয়্যালসের দিকে।
সঙ্গী ট্রাভিস হেড ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলে শতভাগ দায়িত্ব নিজের কাঁধে চাপিয়ে নেন ইশান। ঝড়ের প্রকোপ কিছুটা কমিয়ে আনেন। লক্ষ্যটা একটাই, মাঝ সমুদ্র থেকে কিনারে নিয়ে যেতে হবে হায়দ্রাবাদের তরী।

ফিফটির পর তেঁতে ওঠেন। দল তখন গুছিয়ে নিয়েছে তখন প্রতিপক্ষের জন্য নির্মম রূপটা সামনে আনেন ইশান। বল হাতে সে আসুক না কেন, ইশানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে উড়ে যেতে খরকুটোর মতো। এমন বার্তা ছুড়ে দেন।
একটু একটু করে সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন। তিন অঙ্কের ম্যাজিকাল ফিগারটা তখন হাতছোঁয়া দূরত্বে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে উপসংহারে নয় রানের এক আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হলো তাঁকে। ৪৪ বলে ৯১ রানের ইনিংসটা শেষবেলায় যে পূর্ণতা পেল না।

তাতে অবশ্য আফসোসের আগুনে খুব বেশি দগ্ধ হননি ইশান। তিনি যে দলকে উজাড় করে দিয়েছেন। স্বার্থপর হলে শতকখানা অনায়াসেই ধরা দিতে পারত তাঁর কাছে এসে। তবে ইশান যে দলটার নেতা। নেতাদের স্বার্থপর হলে চলে না।











