ফ্রান্সের দাপটে উড়ে গেল সুইডেন!

এ যেন নিখাদ আধিপত্যের গল্প। নিউ জার্সির মাঠে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া ফুটবল খেলল ফ্রান্স। আর সেই আধিপত্যের শেষ পরিণতি, কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলের সুবাদে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করা।

এ যেন নিখাদ আধিপত্যের গল্প। নিউ জার্সির মাঠে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া ফুটবল খেলল ফ্রান্স। আর সেই আধিপত্যের শেষ পরিণতি, কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলের সুবাদে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করা।

শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে দিদিয়ের দেশমের দল। বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখে একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে সুইডিশ রক্ষণকে। তবে গোলের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। আক্রমণগুলো তাই শেষ পরিণতি পাচ্ছিল না। ৪৫ মিনিটের মাথায় ডেডলক ভাঙেন এমবাপ্পে। ওটাই শুরু, বিরতিতে যাওয়ার সময়টাই কেবল স্বস্তি হয়ে থেকেছে সুইডেনের জন্য।

একের পর এক আক্রমণের ঝড় তোলে ফ্রান্স, ফলাফল আসে আরও একবার। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে যান ব্রাডলি বারকোলা। ভুল করেননি, সুনিপুণভাবে বল পাঠান সুইডেনের জালে। আর কফিনের শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন এমবাপ্পে। ৭৪ মিনিটে সেই ওলিসের বাড়ানো বল থেকে আদায় করে নেন আরও এক গোল। ব্যস, তাতেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার সুইডেনের।

পরিসংখ্যানও ফ্রান্সের দাপটের সাক্ষী। পুরো ম্যাচে ২৫টি শট নেয় তারা, যার ১২টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে সুইডেন আটটি শট নিয়ে মাত্র তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। দুই দলের পার্থক্য যে কতটা বিশাল ছিল ম্যাচে, তা বোঝাতে এই পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। এর ফলাফল, সুইডেনকে বিদায় বলে দেয় বিশ্বকাপ, আর শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের অপেক্ষা করছে প্যারাগুয়ে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link