ক্রিকেটারদের জন্য বিসিসিআইয়ের অনন্য উদ্যোগ!

বাংলাদেশে একজন ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করার পর কী পান? বিদায়ী সংবর্ধনাও তো অনেকের জোটে না। কিন্তু ভারতের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। সেখানে জাতীয় দলের জার্সি খুলে রাখলেও  ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব শেষ হয় না।

বাংলাদেশে একজন ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করার পর কী পান? বিদায়ী সংবর্ধনাও তো অনেকের জোটে না। কিন্তু ভারতের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। সেখানে জাতীয় দলের জার্সি খুলে রাখলেও  ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব শেষ হয় না। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর সাবেক ক্রিকেটারদের হাতে পৌঁছে যায় নিয়মিত পেনশন।

ক্রিকেট বিশ্বের অনেক শক্তিশালী বোর্ড থাকলেও অবসরের পর ক্রিকেটারদের জন্য সরাসরি মাসিক পেনশন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া(বিসিসিআই)। বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, সাবেক টেস্ট ক্রিকেটাররা প্রতি মাসে ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার রুপি পর্যন্ত পেনশন পান। প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটারদের জন্য রয়েছে ৩০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার রুপির মাসিক ভাতা।

শুধু পুরুষ নয়, নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররাও মাসে ৫২ হাজার ৫০০ রুপি এবং নারী ঘরোয়া ক্রিকেটাররা ৪৫ হাজার রুপি করে পেয়ে থাকেন। ২০২২ সালে বিসিসিআই এই পেনশন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছিল, যার সুবিধা পান প্রায় ৯০০ সাবেক ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।

এই পেনশন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য একটাই, যারা একসময় দেশের হয়ে খেলেছেন, ক্যারিয়ার শেষে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বিসিসিআইর ভাষায়, ক্রিকেটাররাই বোর্ডের প্রাণ, তাই খেলা ছাড়ার পরও তাদের পাশে দাঁড়ানো বোর্ডের দায়িত্ব।

অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মতো নামজাদা ক্রিকেট বোর্ডও সেই সাহসটা দেখায় না, যেটা ভারত করে দেখিয়েছে। অবসরের পর ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিসিসিআই নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে উদার বোর্ডগুলোর একটি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link