একজন ছক্কা মানবের গল্প

ছক্কার রাজ্যে রাজমুকুট প্রাপ্তির এই কয়েকটা দিন পেরিয়েছে মাত্র। এর মধ্যেই আরো এক ছক্কার রেকর্ডে নাম লেখালেন রোহিত শর্মা। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এক বছরে ৫০টি ছক্কা হাঁকানোর কীর্তি গড়লেন ভারতীয় এই অধিনায়ক।

ধর্মশালায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাট হেনরির বলে বিশাল একটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। আর এই ছক্কাতেই এ ওপেনার পৌঁছে যান ৫০ ছক্কার মাইলফলকে। প্রথম ভারতীয় হিসেবে এ কীর্তিতে নাম লেখালেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রোহিতের আগে এই কীর্তি আছে আরো দুজনের।

ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্স। ২০১৫ সালে এক বছরেই তিনি হাঁকিয়েছিলেন ৫৮টি ছক্কা। যা এখন পর্যন্ত এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডে। ২০১৯ সালে ৫৬ টি ছক্কা মেরেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের  ক্রিস গেইল।

অবশ্য এ দুজনকেই ছাপিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে রোহিত শর্মা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এ ব্যাটার ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৫৩ টি। এক বছরে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক হতে রোহিতের প্রয়োজন আর ৬ টি ছক্কা। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ৫ ম্যাচেই তিনি ছক্কা মেরেছেন ১৭ টি। গ্রুপ পর্বের বাকি ৪ ম্যাচে তাই ৬ টি ছক্কা রোহিত শর্মার জন্য সহজসাধ্যই।

এই বিশ্বকাপেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫ টি ছক্কা হাঁকিয়ে আরও এক অনবদ্য রেকর্ড নিজের করে নিয়েছিলেন ভারতীয় এ অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার ক্রিস গেইলকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক হয়েছিলেন তিনি।

এ দিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে ছক্কা মারার দিক দিয়েও শীর্ষ দুইয়ে চলে এসেছেন রোহিত শর্মা। কিউইদের বিপক্ষে ৪ চার আর ৪ ছক্কায় ৪৬ রানের ইনিংসে তিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। এর আগে ২৩ ম্যাচে ৩৭ টি ছক্কা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন প্রোটিয়া এ ব্যাটার। বিশ্বকাপে নিজের ২২তম ম্যাচে এসে এবার ডি ভিলিয়ার্সকে হটিয়ে দুইয়ে চলে এসেছেন রোহিত শর্মা। ২২ ম্যাচে তাঁর ছক্কাসংখ্যা ৪০ টি।

বিশ্বকাপে ছক্কা হাঁকানোর দিক দিয়ে এখন রোহিত শর্মার চেয়ে এগিয়ে আছেন মাত্র একজন। তিনি ক্রিস গেইল। বিশ্বকাপে ৩৫ ম্যাচে তিনি মেরেছেন ৪৯ টি ছক্কা। এ ছাড়া ছক্কা হাঁকানোর দিক দিয়ে শীর্ষে পাঁচের বাকি দুটি নাম, রিকি পন্টিং আর ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। পন্টিং ৪৬ ম্যাচে ৩১ আর ম্যাককালাম ৩৪ ম্যাচে হাঁকিয়েছেন ২৯ টি ছক্কা।

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link