ছক্কা হাঁকানোর বিরল রেকর্ড!

 টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই ঝড়ের নাম, মুহূর্তের মধ্যে বদলে যাওয়া গল্প। এখানে সময় বদলে দিতে পারে কয়েকটা বল। আর সেই কয়েকটা বলেই কেউ কেউ লিখে ফেলেন ইতিহাস। যা জন্ম দেয়  বিরল সব রেকর্ডের।  তেমনই এক পরিসংখ্যান,  ১০ বলের কম মোকাবিলা করে একটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়া। দেখে নেওয়া যাক এই তালিকায় আছেন কারা। 

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই ঝড়ের নাম, মুহূর্তের মধ্যে বদলে যাওয়া গল্প। এখানে সময় বদলে দিতে পারে কয়েকটা বল। আর সেই কয়েকটা বলেই কেউ কেউ লিখে ফেলেন ইতিহাস। যা জন্ম দেয়  বিরল সব রেকর্ডের।  তেমনই এক পরিসংখ্যান,  ১০ বলের কম মোকাবিলা করে একটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়া। দেখে নেওয়া যাক এই তালিকায় আছেন কারা।

 তালিকার শীর্ষে এখন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র নয় বলের ইনিংস খেলেই হাঁকিয়েছেন ৫টি ছক্কা। সময় কম, সুযোগ সীমিত, কিন্তু শানাকার ব্যাটে যেন আগুন ভর করেছিল।  যা মাঠের গ্যালারি নিস্তব্ধতা ভেঙে মূহুর্তেও ছড়ালো বিষ্ফোরনের উষন্তা। পাকিস্তানের বোলাররা স্রেফ তাকিয়ে দেখল, আর পুড়তে থাকলো সেই আগুনে। সেই সাথে এই ইনিংস টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এনে দিয়েছে এক অনন্য রেকর্ডের মাত্রা। এক ইনিংসে দশ বলের কম খেলে পাঁচ ছক্কা হাঁকানো ইনিংস এটাই প্রথম।

তবে এই গল্পের শুরুটা হয়েছিল অনেক আগেই। যা জানতে হলে ফিরে যেতে হয় ২০০৭ সালে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শুরুর দিনগুলোতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়াইন স্মিথ বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন তেমনই এক বিধ্বংসী ক্যামিও। মাত্র সাত বলে খেলেছিলেন ২৯ রানের ইনিংস। সেখানে হাঁকিয়েছেল ৪টি ছক্কা। তখনো টি-টোয়েন্টির ভাষা পুরো শেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব, কিন্তু স্মিথ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন এই সংস্করণে কীভাবে ম্যাচের রং বদলে দিতে হয়।

এরপর সময়ের সঙ্গে তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আরও অনেক তারকা। ২০১৪ সালে ইংল্যান্ডের ক্রিস জর্ডান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দেখিয়েছেন নিজের পাওয়ার। মূলত বোলার হিসেবেই পরিচিত জর্ডান, কিন্তু সেদিন ব্যাট হাতে হয়ে উঠেছিলেন নিখাদ ধ্বংসযজ্ঞের প্রতীক। মাত্র ৯ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেন যেখানে চারটি ছক্কা, টি-টোয়েন্টির নিষ্ঠুর সৌন্দর্য তখন আরও একবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

২০১৮ সালে এই তালিকায় নাম লেখান ভারতের হার্দিক পান্ডিয়া। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে হার্দিক দেখিয়েছেন কেন তিনি আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আদর্শ অলরাউন্ডার। শক্তি, টাইমিং আর আত্মবিশ্বাস, সব মিলিয়ে ১০ বলের কম খেলে হাঁকান চারটি ছক্কা।

পাকিস্তানের আসিফ আলীও বাদ যাননি এই তালিকা থেকে। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তার ইনিংস ছিল নিখুঁত টি-টোয়েন্টি নাটক। চাপের মুহূর্ত, ম্যাচের দোলাচল সব উপেক্ষা করে একের পর এক ছক্কা হাঁকান। সাত বল খেলে করেন ২৫ রান। হ্যারি ব্রুকও আছেন এই তালিকায়। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে নেমে  করেন সাত বলে ৩১ রান। যেখানে ছিল চারটি ছক্কার মার।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link