সাহসের চূড়ান্তই দেখিয়েছিলেন রহমত শাহ। আগেই কাফ মাসলে ব্যাথা পেয়ে সাজঘরে ফেরা এই আফগান ব্যাটার আবার নেমেছিলেন দলের বিপর্যয়ে। নবম উইকেট পতনের পর, ইনিংসটা আরেকটু লম্বা করা যায় কি না, সেই পরিকল্পনা থেকেই তাঁকে মাঠে পাঠানো হল, কিন্তু তিনি টিকলেন মাত্র এক বল। শেষ পর্যন্ত তাকে বের হতে হল হুইল চেয়ারে করে।
১৯০ রানে নবম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে, এটা কোনো বিশ্বকাপের ম্যাচ নয়, এমনকি কোনো নক আউট ম্যাচও নয়। তারপরও অনেকটা জোর করেই পাঠানো হল রহমত শাহ। তিনি খোড়াতে খোড়াতে মাঠে প্রবেশ করলেন। প্রথমেই সামনে পেলেন রিশাদ হোসেনকে।

একদম নিখুঁত এক গুগলি দিলে রহমত শাহকে অভ্যর্থনা জানালেন রিশাদ! বল ভেতরে ঢুকে প্যাড হয়ে সরাসরি পেটে আঘাত হানে। হঠাৎ থমকে যান রহমত। ব্যাথায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বোঝাই যাচ্ছে, কাফ মাসলে আবারও টান লেগেছে। বাংলাদেশর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দৌড়ে গিয়ে তাকে তুলে দাঁড়াতে সাহায্য করেন। এগিয়ে আসেন বাংলাদেশের বাকি খেলোয়াড়রাও।
আফগান ম্যানেজমেন্টের সাহসী সিদ্ধান্ত কার্যত কোনো কাজেই লাগল না। ফিজিওও এসে পৌঁছেছেন মাঠে। ইনিংস শেষে তিনি জানালেন, কয়েকটা দিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে রহমতকে। একটি হুইলচেয়ার এসে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেয়, যার মানে আফগানিস্তানের ইনিংস শেষ। তারা থেমেছে ১৯০ রানে।











