ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করলেন অভিষেক!

দুটো ক্যাচ হাতছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরও একবার ব্যাট হাতে ব্যর্থ। দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র থেকে দলের সবচেয়ে বড় বোঝা এখন অভিষেক শর্মা। সেমিফাইনালে যাওয়ার ম্যাচে ভারতকে যেন পেছন থেকে টেনে ধরলেন তিনি।

দুটো ক্যাচ হাতছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আরও একবার ব্যাট হাতে ব্যর্থ। দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র থেকে দলের সবচেয়ে বড় বোঝা এখন অভিষেক শর্মা। সেমিফাইনালে যাওয়ার ম্যাচে ভারতকে যেন পেছন থেকে টেনে ধরলেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক গর্জন তুলেই হাজির হয়েছিলেন অভিষেক। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তাঁর ফর্ম প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের বার্তা দিচ্ছিল। তবে যত গর্জালেন ততটা আর বর্ষালেন কই!

টানা তিন ম্যাচে রানের খাতা খুলতেই পারেননি। আত্মবিশ্বাস যেন একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। সেখান থেকে যেন আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। একটা ফিফটি প্লাস ইনিংস নামে পাশে আছে ঠিকই, তবে ছয় ম্যাচে মোটে ৮০ রান করা ব্যাটারের ব্যর্থতা ছাপিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের শুরুর দিকেই ক্যাচ ছেড়েছিলেন রস্টন চেজের। যা দলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। তবে সেই চাপকে আরও ত্বরান্বিত করেন অভিষেক। আরও একবার হাতছাড়া করেন শিমরন হেটমায়ারের ক্যাচ। তাতেও যেন ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ হয়নি অভিষেকের।

১৯৬ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নামা ভারতের শুরুতেই ম্যাচের লাগাম টানার দরকার ছিল। সেখানে আরও একবার ভরসা রাখা হয়েছিল অভিষেকের ওপর। তবে ১১ বলে ১০ রান করে তিনি কেবল দলের ওপর চাপের বোঝা চাপিয়ে দিলেন।

বিশ্বকাপে অভিষেকের চোখেমুখে আত্মবিশ্বাসের বিন্দুমাত্র চিহ্ন ছিল না। টানা ব্যর্থতার পরও তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে শুধু এক তত্ত্বের ওপর ভর করে—অভিষেক এক ম্যাচে দাঁড়িয়ে গেলেই প্রতিপক্ষ শেষ হয়ে যাবে। তবে অভিষেক সবাইকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গেলেন, একবারের জন্য দাঁড়ানো আর হলো না।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link