অভিষেকের আগুন ছাড়িয়ে গেল যুবরাজকে

সেই হারিস রউফের হাতে ক্যাচ হয়েই ফিরে যান সাজঘরে, তখন তাঁর রান ৩৯ বলে ৭৪। ছয়টি চার আর পাঁচটি ছক্কায় সাজানো সেই ইনিংসের পর ম্যাচের বাকিটা সময় ছিল শুধুই নিয়মরক্ষার।

ওপেনিংয়ে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। লেগ স্ট্যাম্পের ওপরে পাওয়া বল বাউন্ডারির ওপারে পাঠালেন অভিষেক শর্মা। শাহীন শাহ আফ্রিদির আর কোনো জবাব নেই। পাকিস্তানের বোলিংয়ের মেরুদণ্ড ভাঙার শুরুটা যেন সেখান থেকেই।

তিনি ১৫ টা ডেলিভারি উইকেটে থাকলেই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারেন, তবে এবার সম্ভবত হারিস রউফের ওপর তাঁর ক্ষোভটা একটু বেশিই ছিল। সেজন্য ম্যাচ শেষ করে দিলেন প্রায় একাই।

অভিষেক শর্মা এমনই। প্রথম বলে তাঁর বাউন্ডারি হাঁকানোটাই রেওয়াজ। প্রথম বলে তাঁর স্ট্রাইক রেট ২৪৫। এই এশিয়া কাপেও চারটা ম্যাচের মধ্যে তিনটাতেই রানের খাতা খুলেছেন বাউন্ডারি দিয়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাউন্ডারির এই মিছিল অবশ্য এগিয়ে গেল অনেকদূর।

কেবল পাওয়া প্লে-তেই ভারত রান করল ৬৯। ১০০ রানের মাইলফলকে পৌঁছে গেল নবম ওভারেই। ভারতের সামনে ১৭২ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড় করানো পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটা সেখানেই শেষ। এর আগে অষ্টম ওভারেই মাত্র ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন অভিষেক।

টি-টোয়েন্টির ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ে এটা দ্বিতীয় দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির নজীর। ২০১২ সালে আহমেদাবাদে ২৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। অভিষেক ছাড়িয়ে গেছেন স্বদেশী যুবরাজ সিংকে। যুবরাজ নিজে আবার অভিষেকের মেন্টর। যুবরাজ সিং আহমেদাবাদের সেই ম্যাচেই ২৯ বলে  হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। অভিষেক যুবরাজের সেই রেকর্ড ভাঙলেন ১৩ বছর পর।

সেই হারিস রউফের হাতে ক্যাচ হয়েই ফিরে যান সাজঘরে, তখন তাঁর রান ৩৯ বলে ৭৪। ছয়টি চার আর পাঁচটি ছক্কায় সাজানো সেই ইনিংসের পর ম্যাচের বাকিটা সময় ছিল শুধুই নিয়মরক্ষার।

Share via
Copy link