চালকের আসনে আফ্রিকা, ভারত শিবিরে জেঁকে বসেছে ভয়!

প্রায় দুই দিন ব্যাট করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৮৯ রান তুলে ভারতকে করে রাখল কোনঠাসা। প্রোটিয়া ব্যাটারদের দাপটের সামনে নিস্তেজ হতে হয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহদের, আর তাতেই হোয়াইটওয়াশের ভয়টা জেঁকে বসেছে স্বাগতিকদের।

প্রায় দুই দিন ব্যাট করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৮৯ রান তুলে ভারতকে করে রাখল কোনঠাসা। প্রোটিয়া ব্যাটারদের দাপটের সামনে নিস্তেজ হতে হয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহদের, আর তাতেই হোয়াইটওয়াশের ভয়টা জেঁকে বসেছে স্বাগতিকদের।

দ্বিতীয় দিনের সকালে ভারতের লক্ষ্য ছিল যত দ্রুত সম্ভব আফ্রিকার রানকে থামিয়ে দেওয়া। তখনও যে সবকিছু হাত থেকে বেরিয়ে যায়নি। চাপ বাড়ার আগে লাগাম ধরতে না পারলেও যে পড়তে হবে বিপাকে।

তবে কিসের কি! সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে ছুটলেন সেনুরান মুত্তুস্বামি। আর তাতেই পর্যদুস্ত হতে হলো ভারতকে। শতক পেয়ে গেলেন মুত্তুস্বামি, সঙ্গী হিসেবে পেলেন মার্কো ইয়ানসেনকে। দুজনে মিলে গড়লেন ৯৭ রানের জুটি।

বুমরাহ-কুলদ্বীপরা চেষ্টা চালালেন বটে, তবে কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছিল না। আফ্রিকার প্রাচীর যেন ভাঙা তখন একেবারে দুর্লঙ্ঘ্য কাজ। আক্ষেপটা আরও বাড়ল যখন টেল এন্ডার ব্যাটাররা ছড়ি ঘোরালো ভারতের প্রতাপশালী বোলিং লাইনআপের উপর।

একটু একটু কঠিন হতে থাকল পথ, সময়টাও যেন কোনভাবেই পক্ষে নেই ঋষাভের দলের। মুত্তুস্বামির শতক আর শেষটাতে ইয়ানসেনের ৯৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে প্রোটিয়াদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৮৯। এই রান করে যে চালকের আসনে ছিলেন তাঁরাই।

শেষ বেলায় অবশ্য ব্যাটিং নামতে হয় ভারতকে। কোনরূপ ক্ষয়-ক্ষতি যদিও হয়নি। ছয় ওভার ব্যাট করে দুই ওপেনার নয় রান তুলে শেষ করেছেন দিন। এবার অপেক্ষাটা তৃতীয় দিনের সকালের। ভারতের যে চাপ মাথায় করে জবাব দিতে হবে। পা হড়কাবার কোন সুযোগ যে আর নেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link