দূরদর্শী চিন্তাভাবনা আলাদা করেছে আকবর আলীকে। যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর এবার ইংল্যান্ড থেকে সম্পন্ন করেছেন লেভেল-টু কোচিং কোর্স। ক্রিকেট ক্যারিয়ারে নেতৃত্বের দারুণ অভিজ্ঞতা থাকা এই তরুণ নিজের খেলার দক্ষতাকেও নতুন মাইলফলকে নিয়ে যাচ্ছেন।
শুধু আকবরই নন এর আগেও সাব্বির রহমান রুম্মান, এনামুক হক জুনিয়র, নাঈম ইসলাম, জহুরুল ইসলাম এবং মোহম্মদ আশরাফুলও লন্ডনে গিয়ে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) অধীনে সম্পূর্ণ করেছেন বিভিন্ন কোচিং কোর্স।
দেশটিতে বিদেশি কোটায় স্যাটারডে লিগে ক্লাবের হয়ে খেলতে হলে ইসিবি থেকে কোচিং কোর্স করা বাধ্যতামূলক। ইংল্যান্ডে যারাই স্যাটারডে লিগে খেলতে যান সকলকেই বাধ্যতামূলকভাবে ইসিবির অধীনে কোনো একটি সার্টিফিকেট কোর্স করতে হয় তাদের। কেননা লিগে খেলার পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটারদেরও কোচিং করাতে হয়। আকবরও খেলতে গিয়ে সম্পূর্ণ করে ফেলেন লেভেল- টু কোচিং কোর্স।

আকবর লেভেল-টু কোচিং সম্পর্কে বলেন, ‘আমি খুব ছোটবেলা থেকেই এটা করতে চেয়েছিলাম। কারণ আমি বিশ্বাস করি এটি আমাকে খেলোয়াড় এবং ব্যাক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এই কোর্সটি সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সহায়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
যুব বিশ্বকাপের মাধ্যমে আলোচনায় আসলেও, এখনও জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। যদিও মাঝে একবার জাতীয় দল থেকে ডাক এসেছিল। কিন্তু অভিষেকটা অধরাই থেকে যায়। তবে এইচপি বা ‘এ’ দলের হয়ে খেলেছেন নিয়মিতই ।
এই কোর্স আকবরের খেলোয়াড়ি জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। কোচিংয়ের মাধ্যমে তাঁর ‘গেম রিডিং’ সক্ষমতা বাড়বে। প্রতিপক্ষকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। একজন কোচের মতো কৌশলগত চিন্তাভাবনা ,তাঁর নিজস্ব খেলার কৌশলে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। এর প্রভাব দেখা যাবে তাঁর ব্যাটিং, উইকেট কিপিং এবং নেতৃত্ব প্রদানে।

টিম ম্যানেজমেন্ট দক্ষতার সাথে, দলকে পরিচালনার মানসিকতা তৈরি হবে। যা ভবিষ্যতে তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেটারে পরিণত করবে। তাছাড়া কোচিং ডিগ্রি আলাদা এক পরিচয় দেবে। যা মাঠে তাঁর উপস্থিতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগাবে। এছাড়াও ভবিষ্যতের জন্যে নতুন এক দাঁড় উন্মোচিত হবে। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে চাইলেই যোগ দিতে পারবেন ক্রিকেট কোচিংয়ে।










