মারাডোনাকে কেন্দ্র করে নতুন জল্পনা

মৃত্যুর ২৪ ঘন্টা আগে মারাডোনাকে চেতনানাশক ঔষধ দেওয়া হয়েছিলো, যা সহ্য হয়নি তাঁর।

চার বছর আগে আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো মারাডোনা ত্যাগ করেছেন পৃথিবীর মায়া। হ্রদরোগে আক্রান্ত হয়ে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। তারপর থেকেই তার মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় জলঘোলা, বের হতে থাকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

তা নিয়েই এবার নতুন করে রহস্য উন্মোচন করলেন মারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ফার্নান্দো ভিলারেহো। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর মারাডোনা চিকিৎসারত অবস্থায় হ্রদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান, তবে তা মানতে রাজি হয়নি তাঁর পরিবার।

ময়নাতদন্ত রিপোর্টকে উপেক্ষা করে মারাডোনার পরিবার দাবি করেন ডাক্তারদের অবহেলায় মৃত্যু হয় তাঁর। তারপরই মারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্ব থাকা আট চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে মামলা করে তার পরিবার। শুরু হয় তদন্ত।

তারপর আবারও নতুন করে ময়নাতদন্ত শুরু করে ফরেনসিক ডিপার্টমেন্ট, এবার আসে আরো ভয়ংকর তথ্য। ডাক্তাররা দাবি করেন উদ্দীপ্ত মাদক ‘কোকেন’ নেওয়ার ফলেই মৃত্যু হয় মারাডোনার। তবে তা উপেক্ষা করে মারাডোনার মেয়ে জানান যে তার বাবা ২০০৪ সালেই কোকেন ছেড়ে দিয়েছিলো।

আদালতে হাজির করা হয় আট চিকিৎসক ও নার্সদের। এর মাঝেই গত মঙ্গলবার আদালতের এক শুনানিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন, ‘ক্লিনিক ওলিভসের আইসিইউ হেড ফার্নান্দো ভিলারেহো। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর ২৪ ঘন্টা আগে মারাডোনাকে চেতনানাশক ঔষধ দেওয়া হয়েছিলো, যা সহ্য হয়নি তাঁর।’

এদিকে অনেকেই বলে থাকেন মারাডোনাকে চিকিৎসা চলাকালীন ডাক্তারদের কথা শুনতেন নাহ। তাকে ঔষধ খাওয়াতে বেগ পেতে হতো ডাক্তারদের। তবে পুরো ঘটনা এখনও রয়েছে ধোঁয়াশাতে,কাগজে কলমে কিছুই প্রমাণ হয়নি। তাই তো ডাক্তার-নার্সদের অবহেলা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিজ্ঞ আদালত।

Share via
Copy link