সেঞ্চুরি করলেন, চিরচেনা সেলিব্রেশনে মেতে উঠলেন। আরিফুল ইসলাম জানান দিলেন এই মঞ্চে ছড়ি ঘোরাতে এসেছেন তিনি। সেই সঙ্গে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের পরবর্তী বড় নাম হবেন তিনি।
আরিফুল ইসলামের ধৈর্য, চাপ সামলানোর ক্ষমতা, সেই সঙ্গে দক্ষতা—সবকিছুই বড় কিছুর ইঙ্গিত দেয়। মিডল অর্ডারের জন্য পারফেক্ট এক প্যাকেজ তিনি। জাতীয় লিগের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সেটারই প্রমাণ রাখলেন।
সিলেটের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ চাপে পড়ে যায় শুরুতেই। ২১ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে তখন কোনঠাসা দল। বিপর্যস্ত ব্যাটিং অর্ডারে হাল ধরেন আরিফুল ইসলাম। সঙ্গী হিসেবে পান আব্দুল মজিদকে। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১২৭ রানের জুটি।

আব্দুল মজিদ ফিরে গেলেও এক প্রান্তে অবিচল থাকে আরিফুলের ব্যাট। একপ্রকার একা হাতেই দলকে বাঁচিয়ে রাখেন তিনি। শেষ পর্যন্ত যখন থামেন, নামের পাশে ১০১ রানের ঝকঝকে এক নক। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬৮ রান।
আরিফুল ইনিংস সাজিয়েছেন ১০ চারের সাহায্যে। স্ট্রাইক রোটেট করে খেলেছেন সিঙ্গেলস, ডাবলসের ওপর ভরসা করেছেন বেশি। এক অর্থে একেবারে সলিড নক খেলেছেন।
এনসিএল টি-টোয়েন্টিতেও কার্যকর ইনিংস এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। আজও সেই ছাপটাই রাখলেন। খেললেন মহাগুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। অনূর্ধ্ব-১৯, ঘরোয়া লিগ—সব খানেই নিজের সুযোগের সদ্ব্যবহার করে যাচ্ছেন আরিফুল। বড় নাম হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন ধীরে ধীরে।

Share via:











