দিনশেষে তাসকিনই দলের সেরা বোলার!

গুনে গুনে তিন ব্যাটারকে ফেরালেন সাজঘরে, তাসকিন আহমেদ জ্বলে উঠলেন স্বমহিমায়। দলের সেরা বোলার হিসেবেই দিনটা শেষ করলেন। স্কোরকার্ড থেকে মনে হতে পারে বেশ খরুচে ছিলেন তিনি, তবে ম্যাচের দৃশ্যপট যে ভিন্ন কথা বলে। তিনটি উইকেটই সময়ের বিচারে ছিল মহাগুরুত্বপূর্ণ।

গুনে গুনে তিন ব্যাটারকে ফেরালেন সাজঘরে, তাসকিন আহমেদ জ্বলে উঠলেন স্বমহিমায়। দলের সেরা বোলার হিসেবেই দিনটা শেষ করলেন। স্কোরকার্ড থেকে মনে হতে পারে বেশ খরুচে ছিলেন তিনি, তবে ম্যাচের দৃশ্যপট যে ভিন্ন কথা বলে। তিনটি উইকেটই সময়ের বিচারে ছিল মহাগুরুত্বপূর্ণ।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে তুলেছিলেন তাসকিন আহমেদ। পরপর দুই চার হজম করে নামের প্রতি সুবিচার করে উঠতে পারেননি। শেষমেশ ওই ওভার শেষে রানসংখ্যা দাঁড়ায় ১২, পাননি কোনো উইকেটের দেখা।

পরেরবার তাঁর দেখা মিলল পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। এবারও শুরুটা করলেন চার হজম করে। তবে শেষ বলে অবশেষে সাফল্য ধরা দিল, সেট হওয়া জর্ডান কক্সকে সাজঘরের পথ দেখালেন।

১৮তম ওভারে আবারও এলেন বল হাতে। ডেথ ওভারের গুরু দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। প্রথম বলেই ছক্কা হজম করলেন এবারও। আরও একটা খরচে ওভারের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। তবে পরের বলেই তুলে নিলেন ৬৬ রান করা সেদিকুল্লাহ অটলকে। যেন এক মধুর প্রতিশোধ নিলেন তাসকিন। আগের ওভারেই ভয়ংকর হয়ে ওঠা ওই অটলের ক্যাচ ছেড়ে কিছুটা অপরাধবোধেই ভুগছিলেন তিনি, তাই পথের কাঁটা সরিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস নিলেন যেন। ওভার শেষে খরচা করলেন মোটে সাত রান।

যেখান থেকেই শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন স্পেলের শেষ ওভারটা। প্রথম বলে এবার বাউন্ডারি হজম নয়, একেবারে উইকেট শিকার। দাসুন শানাকাকে ফিরিয়ে উদ্‌যাপনটা করলেন আগ্রাসী মেজাজে। আর কোনো শিকার পুরতে পারেননি নিজের ঝুলিতে। শেষটাতে তাঁর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় চার ওভারে ৪০ রান, বিনিময়ে চার উইকেট।

শুরুর দিকের ম্যাচে ডাগআউটে বসেই সময় পার করতে হয়েছে তাঁকে। তবে সুযোগ পেয়ে সদ্ব্যবহার করতে ভুল করেননি তাসকিন। শারজাহ ওয়ারিয়র্সকে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি বসে থাকার জন্য আসেননি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link