সমালোচনা যখন ঘোরতর হয়, তখন তিনি ফিরে আসেন। সাম্প্রতিক ফর্ম যাই হোক না কেন শ্রীলঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ফিরলেন তিনি। মিডল ওভারের নয়া দায়িত্বে তাঁকে এই যাত্রায় সফলই বলা যায়।
চার রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি মিস করেছেন। স্ট্রাইক রেট ১৪৪-এর কাছাকাছি। ৩২ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। মিডল ওভারে রানের খাতা সচল রাখার জন্যই তাঁকে চার নম্বরে পাঠায় পাকিস্তান। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত পাকিস্তানের এই পরিকল্পনা সফল হল।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৮১ রান যোগ করেন শাহিবজাদা ফারহানের সাথে মিলে। আর তাতেই বড় স্কোর গড়া নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের।
একই সাথে বুক থেকে বড় একটা বোঝাও নেমে গেল বাদশাহ বাবরের। আগের বিশ্বকাপেই তিনি এসেছিলেন অধিনায়ক হয়ে। অথচ, চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচের পর একাদশ থেকেই বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছিল।

অধিনায়ক সালমান আলী আঘা বলেই দিয়েছিলেন, এটাই শেষ সুযোগ। সেই লাইফলাইনটায় বাজিমাৎ করলেন বাবর। পেয়ে গেলেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের টিকেট।










