পাকিস্তানের তাসের কেল্লা চেখেছে করাচির ধুলো

বাকিটা সময় পাকিস্তানের ইনিংস ছিল তাসের কেল্লা। যদিও টেলএন্ডাররা যতটুকু সম্ভব রান কুড়িয়ে যুক্ত করেছেন পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে।

করাচির ট্রিকি উইকেট। এখানে চাইলেই ৩০০ রান করে ফেলা যায় না। এখানে আক্ষেরিক অর্থেই ধরে খেলে শেষে রানটা বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাট করার দরকার ছিল পাকিস্তানের। প্রথম তিন উইকেট পতনের পর সেই কাজটাই করছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা।

এর আগে শুরুতে খোদ বাবর আজমও স্বপ্ন দেখান। তিনি ভাল সূচনা করার পর ইনিংস বড় করতে পারেননি। তাঁর বিদায়ের পর হাল ধরেন আগের ম্যাচের দুই নায়ক।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে তাঁরা ৮৮ রানের জুটিও গড়েন। আগের দিনে এই জুটিই পাকিস্তানকে অবিশ্বাস্য এক ম্যাচ জেতায়। ২৬০ রানের অনন্য এক জুটি তাঁরা গড়েছিলেন সেদিন, এই করাচিতেই। তবে, ফাইনালের পিচটা পুরোপুরিই ভিন্ন।

এখানে জুটির গুরুত্ব তাই সেই ম্যাচের চেয়েও জরুরী ছিল। সেই পথে পাকিস্তান এগিয়ে যেতে পারত বড় কিছু ইনিংসে ভর করে। কিন্তু, কার্যত পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারের দুই বড় নাম – রিজওয়ান ও সালমান বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।

হাফ সেঞ্চুরির দুয়ারে থাকতে সাজঘরে ফিরে যান দু’জনই। সেখানেই কপাল পুড়ে পাকিস্তানের। এর পরে রান রেটের সাথে পাল্লা দিচ্ছিলেন তায়াব তাহির। তিনি রীতিমত ঝড়ই তুলছিলেন। এক ছক্কা আর চারটি চারে ৩৩ বলে তিনি করেন ৩৮ রান।

তাহিরও ফিরে গেলে, পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ার স্বপ্ন শেষ। এর বাকিটা সময় পাকিস্তানের ইনিংস ছিল তাসের কেল্লা। যদিও টেলএন্ডাররা যতটুকু সম্ভব রান কুড়িয়ে যুক্ত করেছেন পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে। তাতে করে স্রেফ ২৪২ রানই হয়েছে স্বাগতিকদের সম্বল।

Share via
Copy link