একটা শঙ্কা জেগেছিল বটে। কিন্তু সেই শঙ্কাকে ঠেলে ঠিকই বাংলাদেশ দল জয় তুলে নিয়েছে। খুব বেশি রোমাঞ্চ না ছড়ালেও, প্রায় আদর্শ একটা টেস্ট ম্যাচই গড়িয়েছে মিরপুর শেরে বাংলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। যেখানে ব্যাটাররা রান করতে পেরেছেন, স্পিনাররা উইকেট তুলে নিয়েছেন। যথাযথ উপমহাদেশীয় উইকেট বলতে যায় বোঝায় আরকি।
এক সেশন কম পাঁচ দিনের খেলাই হয়েছে মিরপুর টেস্টে। চার ইনিংস মিলিয়ে মোট রান হয়েছে ১৩২৯। আট ফিফটি ছাড়াও দুই জন ব্যাটার পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। অন্যদিকে ৩৪টি উইকেটের মধ্যে ২৯টি উইকেট গিয়েছে দুই দলের স্পিনারদের পকেটে। অতএব লড়াইটা মোটেও হয়নি একপেশে।

পঞ্চম দিনেও আইরিশরা দৃঢ় মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে চেয়েছেন। বাংলাদেশের স্পিনারদের বিপরীতে ঢাল বনে যান কার্টিস ক্যাম্ফার। ২৫৯ বল খেলে শেষ অবধি অপরাজিত থেকেছেন তিনি ৭১ রানে। অন্যদিকে লেজের দিকের ব্যাটাররা ক্যাম্ফারকে সঙ্গ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। সপ্তম, ও নবম উইকেট জুটির স্থায়িত্বকাল ছিল যথাক্রমে ১০৫ ও ১৯১ বল।
অতএব ব্যাটারদের জন্য একেবারেই দুর্বিষহ কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি মিরপুরের উইকেটে। এটাই বরং আশা জাগানিয়া। হাসান মুরাদ ও তাইজুল ইসলামের চারটি করে উইকেট শিকারে ২১৭ রানের বড়সড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে আইরিশদের হোয়াইট ওয়াশ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।












