বাংলাদেশের ক্রিকেট আর ব্যাটিং ব্যর্থতা যেন একই সুতোয় গাঁথা। জাতীয় দল হোক কিংবা অনূর্ধ্ব ১৯, সবাই যেন একই পথের অনুসারী। যার জেরে আফগানিস্তান যুবাদের বিপক্ষে ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারল আজিজুল হাকিম তামিমের দল।
তৃতীয় ওয়ানডেতে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আফগানরা। ফয়সাল খান শিনোজাদার শতক আর মাহবুব খানের ৬৮ রানে ভর করে সফরকারীদের স্কোরবোর্ডে আসে ২৭৫ রানের সংগ্রহ।
ব্যাট হাতে যতটা পারদর্শিতা দেখাতে হতো বাংলাদেশের, তার ছিটেফোটাও দেখা গেল না শুরুতে। রিফাত বেগ শূন্যতেই কাটা পড়েন। জাওয়াদ আবরার তাঁর স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৪ বলে ২৫ রান করে ফিরেছেন সাজঘরে। এর দায়টা অবশ্য তামিমের ঘাড়ে বর্তায়।

তাঁর অতিরিক্ত ডিফেন্সিভ খেলার মানসিকতা দলের চাপ বাড়ায় একপ্রান্তে। আজও তাঁর ব্যতিক্রম হয়নি। ৩২ বল খেলে করেছেন মোটে ৯ রান। স্ট্রাইক রেটটা মাত্র ২৮.১২, যা এক কথায় দৃষ্টিকটূ।
টপ অর্ডারের সবাইকে ৪৫ রানের মধ্যে হারিয়ে তখন বেহাল দশা বাংলাদেশের। হাল ধরেন কালাম সিদ্দিকি এবং রিজান হোসেন। আফগানদের তৈরি করা চাপের বিপরীতে প্রতিআক্রমণ শুরু করেন। জয়ের আশা নতুন করে জেগে ওঠে।
দুজনের জুটি থেকে আসে ৯৩ রান। রিজান ৫০ বলে ৫২ রান করে ফিরলেও কালাম তখনও লড়াই চালিয়ে যান। তবে বেশিক্ষণ আর টিকে থাকতে পারেননি তিনি। সঙ্গী না পাওয়ায় তিনিও হাল ছেড়ে দেন ৭১ রানের মাথায়। বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে তাসের ঘরের মতো। আর শেষটাতে দলও থামে ১৭৩ রানে।

হারের ব্যবধানটা ১০২ রানের। সংখ্যার হিসেবে ব্যবধান বিশাল। টপ অর্ডারের খামখেয়ালি ব্যাটিংটাই মূলত এর জন্য দায়ী। লোয়ার অর্ডারেও একই রকম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। তাই তো কালাম সিদ্দিকি আর রিজানের চেষ্টাটা ফিকে হয়ে গেল।











