দক্ষিণ আফ্রিকাকে হেসে-খেলে হারাল বাংলাদেশ!

প্রথম সাক্ষাতে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। রোহানাত দৌলা বর্ষণের ফাইফারের পর মাহফিজুল রবিন এবং শাহাদাত দিপুর ফিফটিতে ভর করে হেসে খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলকে আট উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। এবার লক্ষ্যটা ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি হাতে নেওয়ার।

প্রথম সাক্ষাতে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। রোহানাত দৌলা বর্ষণের ফাইফারের পর মাহফিজুল রবিন এবং শাহাদাত দিপুর ফিফটিতে ভর করে হেসে খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলকে আট উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। এবার লক্ষ্যটা ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি হাতে নেওয়ার।

আগে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খায়। ১৭ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে বসে তারা। রোহানাত দৌলা বর্ষণের বোলিং তোপে রীতিমতো বিপর্যস্ত হতে বাধ্য হয় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে উত্তরণের চেষ্টা করে তারা। ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে ২০০ রানের স্বপ্ন দেখছিল দলটা।

তবে বর্ষণের শিকারি দৃষ্টি, আমিনুল ইসলাম বিপ্লবদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে খুব বেশি দূর আগাতে পারেনি আফ্রিকা। ২৪ রানে পাঁচ উইকেট শিকার করেন বর্ষণ। তাতেই ১৬৯ রানে থামতে বাধ্য হয় রানের চাকা।

 

খুব বেশি রান নয়। চাপও নেই স্কোরবোর্ডে। স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই শেষ হাসিটা হাসতে পারে বাংলাদেশ। সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন। ২৪ রানের মাথায় জাকিরকে হারানোর পর একপ্রান্ত নিজের নামে করে নিয়ে খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। ম্যাচের গতিপথটা ঠিক হয়ে যায় সেখানেই।

বাকিটা পথ সহজ করে দেয় ফর্মে থাকা শাহাদাত দিপুর ব্যাট। আগের ম্যাচেই হার না মানা ৭৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েছেন। তরতাজা ফর্ম আরও একবার টেনে এনে ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি হাঁকান। শেষপর্যন্ত তার ৭২ রানের সুবাদে অনায়াসে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ১৭০ রান ছুঁয়ে ফেলে আট উইকেট হাতে রেখেই।

এই ম্যাচই ছিল গ্রুপ পর্বের শেষ। সেই শেষটাতেই জয়ের হাসি হাসল বাংলাদেশ। এবার ফাইনাল মহারণ। সেটা জিততে পারলেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি হাতে উঠবে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link