সুপার ওভারের নাটকীয়তা, ১১ রানের লক্ষ্যমাত্রা। তবে বাংলাদেশ তা টপকাতে পারল না। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শেষ হাসিটা হাসল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সেই সঙ্গে সিরিজে ফিরল সমতা।
এদিন পুরো খেলাটা সাজানো হলো স্পিনারদের নিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাটিং বেছে নিল আগে। সাইফ হাসান ফিরলেন ৬ রানে, হৃদয়-শান্তরাও পারলেন না দাঁড়াতে। তবে সৌম্য সরকার আগলে রাখলেন এক প্রান্ত, শেষটাতে করলেন ৮৯ বলে ৪৫ রান।
অধিনায়ক মিরাজের ৩২ আর সোহানের ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৩ রান। তবে এগুলো যথেষ্ট ছিল না ২০০ রানের গণ্ডি পার করার জন্য। তবে রিশাদ কাঁধে তুলে নিলেন দায়িত্ব। তাঁর ১৪ বলে ৩৯ রানে ভর করে বাংলাদেশ পায় ২১৩ রানের সংগ্রহ।

রান তাড়া করতে নামা উইন্ডিজের লাগাম শুরুতেই টেনে ধরেন নাসুম আহমেদ। ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে দেন প্রথম ওভারেই। ১৩৩ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাত উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ তখন চালকের আসনে। তবে ক্যারিবীয়দের আশা বেঁচে ছিল শাই হোপের ব্যাটে। ম্যাচ গড়ায় শেষ ওভার পর্যন্ত। আর উইন্ডিজের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ছয় বলে পাঁচ রানের।
মিরাজের ভুলে শেষ ওভার সামলানোর দায়িত্ব পড়ে পার্টটাইমার সাইফ হাসানের কাঁধে। আস্থার প্রতিদান দেন সাইফ, প্রথম পাঁচ বলে দিলেন মাত্র দুই। শেষ বলে তখন উইন্ডিজের দরকার তিন রান। খারি পিয়েরে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন ঠিকই, তবে সোহান তা তালুবন্দি করতে পারেননি। ফলে দুই রান তুলে স্কোরবোর্ডে সমতা আনে উইন্ডিজ। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ রানের। প্রথম বলে পাঁচ রান পেলেও শেষ পাঁচ বলে ছয় রান নিতে ব্যর্থ হলেন সৌম্য-সাইফরা। আর তাতেই হারতে হলো বাংলাদেশকে। তাই তো সিরিজ জয়ের জন্য এবার তাকিয়ে থাকতে হবে শেষ ম্যাচের দিকে।












