অপরাজিত থেকেই গ্রুপ পর্ব শেষ করল বাংলাদেশ!

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে একেবারে চুপসে গেল শ্রীলঙ্কার যুবারা। ২২৬ রানের লক্ষ্যে নেমে গুটিয়ে গেল ১৮৬-তেই। লঙ্কানদের ৩৯ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব অপরাজিত থেকেই শেষ করল আজিজুল হাকিম তামিমের দল। লক্ষ্যটা এবার সেমির বাধা টপকানো।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে একেবারে চুপসে গেল শ্রীলঙ্কার যুবারা। ২২৬ রানের লক্ষ্যে নেমে গুটিয়ে গেল ১৮৬-তেই। লঙ্কানদের ৩৯ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব অপরাজিত থেকেই শেষ করল আজিজুল হাকিম তামিমের দল। লক্ষ্যটা এবার সেমির বাধা টপকানো।

এদিন শ্রীলঙ্কার সিদ্ধান্তে ব্যাটিংয়ে আসে বাংলাদেশ। আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা দলটা শুরুটাও করে দুরন্ত। রিফাত বেগ আর জাওয়াদ আবরারের ওপেনিং জুটি থেকেই যোগ হয় ৮৪ রান। তবে ভাগ্যের নির্মমতায় ৪৯ রানেই কাটা পড়েন জাওয়াদ। টানা তিন ম্যাচে ফিফটি ছোঁয়াটা আর হলো না তার।

১৫৬ রানে টপ অর্ডারের সবাই ফিরে যান সাজঘরে। অর্থাৎ তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। হাতে ২০-এর বেশি ওভার, সঙ্গে সাত উইকেট। এমন অবস্থা থেকে প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে বেশ বড় সংগ্রহই আসবে। তবে এরপরই তাসের ঘরের মতো উইকেট পড়তে থাকল, শেষমেশ থামতে হলো ২২৫ রানে।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উইকেটটাও প্রাণ হারাল, আধিপত্য বাড়ল বোলারদের। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাল বাংলাদেশের বোলাররা। ৪৪ রান তুলতেই চার ব্যাটারকে ফিরতে হয় সাজঘরে। বাংলাদেশের প্রবল সম্ভাবনা জেগে ওঠে। সামিউন বসির, ইকবাল হোসেন ইমন, শাহরিয়ার আহমেদরা একেবারে কোণঠাসা করে ফেলেন শ্রীলঙ্কাকে।

শ্রীলঙ্কার যখন নবম উইকেটের পতন ঘটে, তখন দলের রান ১২৬। সেখান থেকে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন অ্যাডাম হিলমি, খেলেন ৪৯ রানের ইনিংস। তবে সেটা কেবলই ওই ব্যবধানই কমিয়েছে। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতেছে ৩৯ রানে।

গ্রুপ পর্বে পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এবার নতুন উদ্যমে ফাইনাল যাত্রা, যেখানে প্রথম বাধাটা দেবে পাকিস্তান। এবার লক্ষ্যটা সেই বাধা টপকে যাওয়া।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link