‘এখনও আমরা ভারতে যেতে চাই না, আমরা শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলতে চাই’- এমনটাই বেশ স্পষ্টভাবেই বলেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এর আগে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘এখনও আশাবাদী আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ করে দেবে।’
আইসিসির বেঁধে দেওয়া আলটিমেটামকে সামনে রেখে, বোর্ড, সরকার প্রতিনিধি ও খেলোয়াড়দের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে। সেই বৈঠক শেষে নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা আরও একবার জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
অর্থাৎ ভারতে বাংলাদেশ যেতে চায় না। এখনও তারা বিশ্বাস করে, আইসিসি বাংলাদেশের গুরুতর শঙ্কাকে মাথায় নিয়ে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন করবে। তবে বুধবার আইসিসি সভা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ইস্যুতে। সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট পড়েছে। বাংলাদেশের বিকল্প দলকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন সভায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা।

সেই সভার পরই বাংলাদেশের আবেদনকে অমূলক আখ্যা দিয়ে ভারতের মাটিতেই বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সাথে বিসিবি প্রধান ও খেলোয়াড়রা মিটিংয়ে বসেন। সেখানে বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটের তিন অধিনায়ক উপস্থিত ছিলেন।
টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের পাশাপাশি টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ উপস্থিত থেকেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই ঘন্টার সভা শেষে নিজেদের অবস্থানেই অনড় থাকার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে সরকার প্রতিনিধির কাছ থেকে।
এতে করে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ একেবারে শূন্যের কাছাকাছিতে নেমে গেল। যদিও বিসিবি বস আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন তারা আইসিসিকে বোঝানো অব্যাহত রাখবেন। তাছাড়া তিনি বিশ্বাস করেন প্রায় ২০ কোটি মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে, এমন দলকে বাদ রেখে আইসিসি বিশ্বকাপ আয়োজনের পথে হাটবে না।

সেই বিশ্বাস থেকেই ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন জারি রাখবে বিসিবি। তবে আইসিসির কঠোর অবস্থান, ও সভা শেষ করে দেওয়া প্রেসরিলিজে ব্যবহৃত শক্ত শব্দগুচ্ছ, ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। অতএব এখনও ইতি টানা গেল না বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার নাটকীয়তার।











