বাংলাদেশ ক্রিকেটের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আবারও পরিবর্তনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলে শূন্য হওয়া দুটি পদের বিপরীতে উপযুক্ত মুখ খুঁজছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই পদের লড়াইয়ে একদিকে যেমন অভিজ্ঞদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বেশ কয়েকজন নতুন মুখও ক্রিকেটের নীতিনির্ধারণী আঙিনায় পা রাখতে আগ্রহী।
মার্চ মাসের প্রথম দিনেই বিসিবির পক্ষ থেকে নির্বাচক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু আবারও এই দায়িত্বে ফিরতে ইতোমধ্যেই আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।
অন্যদিকে, নির্বাচক হিসেবে বর্তমান কাজ চালিয়ে যাওয়া হাবিবুল বাশার সুমন প্রধান নির্বাচক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেননি। তবে আগামী আট মার্চের সময়সীমার মধ্যেই তিনি আবেদন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যাট-বলের পাঠ চুকিয়ে অনেক দেশি ক্রিকেটারও এই পদে আসার আগ্রহ জানিয়েছেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন ইলিয়াস সানি, নাঈম ইসলাম, তুষার ইমরান, জাভেদ ওমর বেলিম,শামসুর রহমান শুভ, মোহাম্মদ রফিক।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তবে ব্যক্তিগত কারণে তিনি আর এই গুরুদায়িত্ব চালিয়ে নিতে আগ্রহী নন। এর আগে গত অক্টোবরে বিসিবির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের কারণে পদ ছেড়েছিলেন আরেক নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক। মূলত এই দুই অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের স্থলাভিষিক্ত করতেই বিসিবি নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে কঠোর কিছু শর্ত। আগ্রহীদের প্রথম শ্রেণি বা লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অন্তত ১০০টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। খেলার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিচারিক ক্ষমতা, দক্ষতা এবং উন্নত যোগাযোগ দক্ষতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে বোর্ড।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে, প্রধান নির্বাচক পদের রেসে এগিয়ে কে? পুরনো সেই নান্নুতেই কি ফিরবে বোর্ড, নাকি হাবিবুল বাশারের বিচক্ষণতার উপর ভরসা করা হবে? নাকি বেলিমদের মতো বিকল্পতেই আস্থা রাখবে বোর্ড? উত্তরটা সময়ই বলে দেবে।










