ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং বিরাট কোহলির সম্পর্ক বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। আইপিএলে কয়েকবার দুজনের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল, যা পরবর্তীতে জাতীয় দলে তাদের একসাথে কাজ করা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি করে।
শুরুর দিকে সবকিছু স্বাভাবিকই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সেই সিরিজের পরই কোহলি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন শুধু ওয়ানডে ফরম্যাটে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আবারও গম্ভীর-কোহলি সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে। নেট সেশনে দুজনকে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না। এমনকি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের পর ড্রেসিংরুমে কোহলিকে গম্ভীরের পাশ দিয়ে কোনো কথাবার্তা ছাড়াই চলে যেতে দেখা যায়। যা নতুন করে গুঞ্জনের জন্ম দেয়।

এই পরিস্থিতিতে বিসিসিআই সেক্রেটারি দেবাজিৎ সাইকিয়া স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বাস্তবে এমন কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তার ভাষায়, দুজনের সম্পর্ক সম্পূর্ণ সৌহার্দ্যপূর্ণ। ইন্ডিয়া টুডে পডকাস্টে সাইকিয়া বলেন, ‘আমি কখনো তাদের ঝগড়া করতে দেখিনি। তারা খুব ভালো ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’
কোহলিকে জোর করে টেস্ট থেকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছে – এমন গুঞ্জন নিয়েও কথা বলেন বিসিসিআই সেক্রেটারি। তিনি স্পষ্ট জানান, কোহলির মতো উচ্চমানের ক্রিকেটারকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাপ দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ‘বিরাট কোহলির মতো খেলোয়াড়কে কেউ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে না। তিনি সাধারণ কোনো ক্রিকেটার নন, ভারতীয় ক্রিকেটের এক কিংবদন্তি। তিনি নিজে সিদ্ধান্ত না নিলে কেউ তাকে বাধ্য করতে পারবে না।’

বিরাটকে পরিকল্পনা করে টেস্ট থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে গুঞ্জন উঠেছিল ভারতীয় ক্রিকেটপাড়ায়, তা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিলেন তিনি। ব্যাক্তিগত সমস্যা থাকলেও পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে বিরাট ও গম্ভীর এক ও অভিন্ন।










