হোঁচট খেল আকবর আলীর শিরোপা জয়ের তরী। হংকং সিক্সেসের প্লেট পর্বের ফাইনালে হেরেছে তারা স্বাগতিক হংকংয়ের বিপক্ষে। অধিয়ানক আকবর, সামনে থেকেই জয়ের নেতৃত্ব দিতে চেয়েছিলেন ব্যাট হাতে। তার ঝড়ো অর্ধশতকে প্রথম ইনিংসেই জয়ের সুবাতাস পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর আবু হায়দার রনির বোলিং তোপের সামনে শুরুতেই ধাক্কা খায় হংকং। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলে শিরোপা জয়ের উৎসবে মেতেছে স্বাগতিকরা।
প্লেট পর্বের ফাইনালে, টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় হংকং। প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হন হাবিবুর রহমান সোহান। শুরুর সেই ধাক্কা এক লহমায় উড়িয়ে দেন অধিনায়ক আকবর আলী। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে তিনি তুলে নেন ফিফটি। অর্ধশতকের পর রিটায়ার্ড আউট হলেও, পরবর্তীতে তিনি আবার মাঠে নামেন।
সাত ছক্কা ও এক চারে তিনি ১৩ বলে ৫১ রানে থেকেছেন অপরাজিত। অন্যদিকে এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে ধারাবাহিকভাবে ভাল করা জিসান এদিনও ছিলেন স্বরুপে। সাত বলে ২৭ রান আসে তার ব্যাট থেকে। আবু হায়দার রনিও আগ্রাসী ব্যাটিং করেন শেষের দিকে। তার সংগ্রহ ৮ বলে ২৮ রান। তাতে করে ১২০ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

সেই পুঁজি জয়ের জন্য যথেষ্ট মনে হতে শুরু করে, ম্যাচের প্রথম ওভারেই। ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর, বল হাতে নিজের প্রথম ওভারেই দু’টো উইকেট তুলে নেন রনি। সেখানেই চাপে পড়ে যায় হংকং। কিন্তু আইজাজ খানের ব্যাটিং তাণ্ডব, সেই চাপকে হাওয়ায় মিলিয়ে দেয়। তোফায়েল আহমেদের এক ওভারে ২৮ রান নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন আইজাজ।
মাঝে মোসাদ্দেক হোসেন খানিকটা রানের চাকায় লাগাম টানতে সাহায্য করলেও, জিসান আলম পরের ওভারে আবার ২৮ রান হজম করেন। সেখান থেকেই যেন ম্যাচের মোর ঘুরে যায় হংকংয়ের পক্ষে। তবে রনি আবারও হাজির হন বাংলাদেশের পক্ষে মোমেন্টাম ফেরানোর জন্য। শেষ ওভারে জয়ের জন্য, ৩০ রান প্রয়োজন ছিল স্বাগতিকদের।
অধিনায়ক আকবর বল হাতে তুলে নিলেন। গুরু-দায়িত্ব তার কাঁধেই তুলে নিতে চাইলেন। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। শেষ অবধি এক উইকেট হাতে রেখে হংকং পৌঁছে যায় জয়ের বন্দরে। বনে যায় হংকং সিক্সেসের প্লেট পর্বের চ্যাম্পিয়ন।











