হামজা নেই, নেই সামিত সোমও। নেপালের বিপক্ষে ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচের ফলাফলেও নেই কোন চিত্তাকর্ষক উপাদনও। গোল শূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল। দশরথ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ফুটবল ফিরল, কিন্তু ফিরল না গোলের উন্মাদনা।
ফুটবল বিশ্বে চলছে আন্তর্জাতিক বিরতি। ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকায় চলছে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দিকের ম্যাচগুলি। যেহেতু বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ, তাইতো ফ্রেন্ডলি ম্যাচই ছিল ভরসা। প্রায় ২০ দিনের ক্যাম্প ও দেশীয় ক্লাবের সাথে ক্লোজডোর ম্যাচ, পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই নেপালে পা রেখেছিল বাংলাদেশ দল।
প্রবাসী ফুটবলারদের মধ্যে স্রেফ তারিক কাজী আর জামাল ভূঁইয়া ছিলেন। অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের দলে আবার রয়েছে ফাহমিদুল ইসলাম, শেখ মোরসালিনরা। অতএব মোটামুটি শক্তিমত্তার দল নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবুও জয়হীন থেকেছে উদ্দেশ্যহীন খেলার ধরণে।

ঠিকঠাক গোছানো আক্রমণের অভাবটা ছিল স্পষ্ট। সেই রাকিব হোসেনের পায়ে ভর করে উইং ছেদ করে প্রবেশের পুরনো কৌশল। সেসবে খুব একটা সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ দল। দশরথ স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডের বেহাল দশায় পা পিছলে পড়েছেন রাকিব বহুবার। সেই একই দশা হয়েছে বাংলাদেশেরও।
সেট পিস থেকে গোলের সম্ভাবনা তৈরি হলেও গোল পাওয়া হয়নি। জামাল ভুঁইয়ার কর্ণারগুলো বৃথা গিয়েছে। এছাড়াও বলার মত কোন আক্রমণ চোখে পড়েনি। নেপালও ধুকেছে। তবে মাঝেমধ্যে তাদের কয়েকটি আক্রমণ তপু বর্মণদের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়েছে। একই দিনে বাংলাদেশের দুই ফুটবল দল হতাশ করেছে সমর্থকদের।
ইয়েমেন অনূর্ধ্ব ২৩ দলের বিপক্ষে সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ২৩ দল। এরপর আবার নেপালের বিপক্ষে জাতীয় দল গোল করতে ব্যর্থ। এই দু’টি ম্যাচই যেন বাংলাদেশের ফুটবলের সামগ্রিক চিত্র। বয়সভিত্তিক থেকে জাতীয় দল- সবখানেই রয়েছে দক্ষতা, সক্ষমতা এবং কার্যকারিতার বিস্তর ফারাক। এই ব্যবধান মেটানো না গেলে, ফুটবলের স্বর্ণালী অতীত ফিরবে কি করে?












