জাওয়াদ-রিফাতদের রেকর্ড গড়া জয়

২৮৩ রানের সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে জমা করে আফগান যুবারা। এই বিশাল টার্গেট টপকাতে হলে ইতিহাস গড়ার বিকল্প ছিল না, বাংলাদেশের যুবাদের সামনে।

বাংলাদেশের যুবাদের রেকর্ড গড়া জয়। এশিয়া কাপের আগে, ঘরের মাঠে আফগানিস্তান বেশ কঠিন পরীক্ষাই নিয়েছিল বাংলাদেশ যুবাদের। কিন্তু এশিয়া কাপের মঞ্চে আফগানদের হারিয়ে নিজেদের শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করল আজিজুল হাকিম তামিমের দল। খানিকটা স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে তিন উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

এদিন আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মাহবুব খান টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তার সতীর্থরা অধিনায়কের মান রক্ষা করেন দূর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে। ফয়সাল শিনোজাদা অনবদ্য এক সেঞ্চুরি আদায় করেন ইকবাল হোসেন ইমনের বিপক্ষে। স্রেফ ৯৪ বলে ১০৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

বাকিদের ঠিকঠাক অবদানে ২৮৩ রানের সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে জমা করে আফগান যুবারা। এই বিশাল টার্গেট টপকাতে হলে ইতিহাস গড়ার বিকল্প ছিল না, বাংলাদেশের যুবাদের সামনে। কেননা এর আগে কখনোই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে এত বড় লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করে জেতেনি কোন দল। রেকর্ড গড়ার চ্যালেঞ্জে জাওয়াদ আবরার আর রিফাত বেগ দেখালেন দৃঢ়তা।

উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে জমা হল ১৫১ রান। ৬২ রানে রিফাত সাজঘরে ফেরত গেলেও জাওয়াদ সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু শেষ অবধি তিনি আর সফল হতে পারেননি। ৯৬ রানে থেমেছেন তিনি। এই দুই ব্যাটারের বিদায়ের পরও জয়ের কক্ষপথে সুদৃঢ় অবস্থান ছিল বাংলাদেশ অ-১৯ দলের।

অধিনায়ক তামিম ও কালাম সিদ্দিক অ্যালিন এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন বাংলাদেশের ইনিংস। এই দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর স্নায়ুচাপে পড়ে যান ব্যাটাররা। স্বল্প দূরত্বে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও সামিউন বশির রানআউট হয় স্নায়ুচাপের কবলে পড়ে। সে সময় বাংলাদেশের হাত থেকে ম্যাচ ফসকে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল।

কিন্তু রিজান হোসেন ও শেখ পারভেজ জীবন দলকে জয়ের কক্ষচ্যুত হতে দেননি। শেষ অবধি আর জয় বঞ্চিত হয়নি বাংলাদেশ দল। তিন উইকেট ও সাত বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় টাইগার যুবারা। টানা তৃতীয় দফা যুব এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়াই এখন তাদের লক্ষ্য তাদের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link