অনেক তো হল অপেক্ষা, এবাদত হোসেন কবে ফিরবেন নিজের চিরচেনা রুপে? দীর্ঘ দুই বছরের বিরতি কাটিয়ে সাদা পোশাকে তিনি ফিরেছিলেন চলতি বছরেই। শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে তিনি খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু সেই ম্যাচে তিনি কোন উইকেটের দেখা পাননি। প্রায় চার মাস পর আবারও টেস্ট খেলার সুযোগ এবাদতের সামনে। যদিও এ দফা একাদশে তার সুযোগ মিলবে কি-না তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে পেসার রয়েছেন চারজন। এর মধ্যে হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা এই দুইজন একাদশে থাকবেন সেটা প্রায় চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়। নতুন বলে দারুণ সুইংয়ে সিদ্ধহস্ত হাসান মাহমুদ। অন্যদিকে একটু পুরনো বলে গতির ঝড়ে, ঝিমিয়ে পড়া ম্যাচে প্রাণ ফেরাতে জানেন নাহিদ।

তাদের দুইজনকে উইকেট তুলে দেওয়ার পটভূমি তৈরি করে দিতে প্রয়োজন হবে, আরও একজন পেসারের। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনজন পেসার নিয়েই সাজানো হবে একাদশ। সেই তৃতীয় পেসার হবেন কে, সেটাই এখন প্রশ্ন। এবাদত ছাড়া, দলে আছেন আরেক সিলেটি পেসার খালেদ আহমেদ।
এই এক দোটানা ছাড়া অবশ্য বাংলাদেশের একাদশ কলম্বো টেস্টের ফটোকপিই হতে চলেছে। তবে বিজয়ের বদলে জয়ের সুযোগ হবে একাদশে। যেহেতু এনামুল হক বিজয় বাদ পড়েছেন জাতীয় দল থেকে, তার পরিবর্তে মাহমুদুল হাসান জয় এসেছেন স্কোয়াডে। ডানহাতি ওপেনার হিসেবে সাদমান ইসলামের সাথে জয়ের জুটি বাঁধা প্রায় নিশ্চিত।

অন্যদিক স্বীকৃত বা-হাতি স্পিনার হিসেবে তাইজুল ইসলাম থাকায়, হাসান মুরাদকে সময় কাটাতে হবে সাইড বেঞ্চে বসেই। অন্যদিকে মেহেদী হাসান মিরাজকে ছাড়াও একাদশ সাজানোর বিশেষ কোন কারণ নেই। অতএব বোলিং আক্রমণে তিন পেসার ও দুই স্পিনার- যেমনটি ছিল সিলেটে খেলা সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
বাংলাদেশের (সম্ভাব্য) একাদশ: সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, মুমিনুল হক সৌরভ, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন, নাহিদ রানা।











