প্রত্যাশিত বড় জয় বাংলাদেশের

আয়ারল্যান্ড লড়াইট মন্দ চালায়নি। তবে, সেটা লাঞ্চের পর খুব একটা দীর্ঘায়িত হয়নি। ফলাফল ইনিংস ও ৪৭ রানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অভিষেকটা স্মরণীয় করে রাখলেন হাসান মুরাদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ছয় উইকেট নিলেন তিনি।

আয়ারল্যান্ড লড়াইট মন্দ চালায়নি। তবে, সেটা লাঞ্চের পর খুব একটা দীর্ঘায়িত হয়নি। ফলাফল ইনিংস ও ৪৭ রানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অভিষেকটা স্মরণীয় করে রাখলেন হাসান মুরাদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ছয় উইকেট নিলেন তিনি।

ব্যাটারদের গড়ে দেওয়া ক্ষেত্র গড়ে দেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসে আট উইকেট হারিয়ে ৫৮৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ দল। এরপর আর জবাব ছিল না আইরিশদের সামনে। প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রান করে অ্যান্ড্রু বালবির্নির দল দ্বিতীয় ইনিংসে অল আউট হওয়ার আগে করে ২৫৪ রান।

চতুর্থ দিনে বাংলাদেশকে যতটা লড়াই করতে হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়ে কিছুটা বেশি সময় মাঠে থাকতে হয়েছে। তবুও শেষ পর্যন্ত এসেছে ইনিংস ব্যবধানে দাপুটে জয়। আয়ারল্যান্ড কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল নবম উইকেটে। ম্যাকারথি ও জর্ডান নিল মিলে গড়েছিলেন আয়ারল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ নবম উইকেট জুটি। কিন্তু সেটা ভাঙা শুধু সময়ের ব্যাপার ছিল—শেষ পর্যন্ত ভেঙেই পড়েছে প্রতিরোধের দেয়াল।

অভিষিক্ত হাসান মুরাদের ঝুলিতে চার উইকেট যোগ হয়, তাইজুল ইসলাম নিয়েছেন তিনটি। তবে বাংলাদেশের বোলিংয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক ছিল নাহিদ রানার গতি ও আগ্রাসন। আগুনে স্পেল ছুড়ে তিনি যেন জানিয়ে দিলেন—বাংলাদেশ আবারও সেই রত্নকে ফিরে পেয়েছেন।

পুরো ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারের ওপরে গতি তুলেছেন, ছিলেন দ্রুত, ছিলেন ভয়ংকর—থাকার কথা যতটা, তার থেকেও অনেক বেশি। দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই ধরে রাখতে পারলে, ফলাফল একই রকম হতে বাধ্য।

Share via
Copy link