স্থগিত করা হলো বিপিএল!

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। একপ্রকার ক্ষুব্ধ হয়েই যেন এমন সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেশের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এমন অনিশ্চয়তায় ঘেরা দিন বোধহয় এর আগে আসেনি।

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। একপ্রকার ক্ষুব্ধ হয়েই যেন এমন সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেশের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এমন অনিশ্চয়তায় ঘেরা দিন বোধহয় এর আগে আসেনি।

যার সূচনা অবশ্য বোর্ড পরিচালক নাজমুল ইসলামকে নিয়ে। বেফাঁস মন্তব্যের কারণে ক্রিকেটারদের চক্ষুশূল হতে হয়েছিল তাঁকে। যার জের ধরে সব ধরনের খেলা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয় খেলোয়াড়রা, নেতৃত্ব ছিল ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ। সেখান থেকে বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করা হলেও, মূল দাবি ছিল নাজমুলের পদত্যাগ।

তার পদত্যাগের দাবিতে এদিন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দিনের প্রথম খেলা বর্জন করেছিলেন ক্রিকেটাররা। চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের মধ্যকার ম্যাচটি শেষ অবধি খেলোয়াড়দের আন্দোলনের মুখে মাঠেই গড়ায়নি। অন্যদিকে সকাল থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে।

পরিস্থিতি যখন ঘোলাটে রূপ ধারণ করে, বিসিবি খেলোয়াড়দের দাবি-দাওয়া মেনে নিয়ে অপসারণ করে নাজমুল ইসলামকে। তাতেও অবশ্য সমাধান মেলেনি। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে বিসিবি জানায়, ক্রিকেটাররা মাঠে না ফিরলে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করা হবে বিপিএল। তবে সময় গড়ালেও মাঠে আসেননি ক্রিকেটাররা। তাতেই বিসিবি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

১৫ জানুয়ারি তাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক কালো দিন হয়েই ধরা দেয়। দেশের ক্রিকেটে এমন ঘটনা বিরল। বিতর্কিত সব সময় থাকে, তবে সীমা ছাড়িয়ে গেল এবারেরটা। এখন দেখার নাটকের শেষটা কেমন হয়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link