স্কুলের ক্লাস থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে কুপার কনোলির যাত্রা

বিগত দেড় বছরে কুপার কনোলির জীবনে যা ঘটেছে, সেটাকে ঠিক উত্থান বললে কমই বলা হয়। এ যেন রীতিমতো এক ঝড়। তিন সংস্করণেই আন্তর্জাতিক অভিষেক, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের ইনিংস, পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে ৩ কোটি রুপির আইপিএল চুক্তি এবং সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা। সবকিছু ঘটেছে বিরামহীনভাবে।

বিগত দেড় বছরে কুপার কনোলির জীবনে যা ঘটেছে, সেটাকে ঠিক উত্থান বললে কমই বলা হয়। এ যেন রীতিমতো এক ঝড়। তিন সংস্করণেই আন্তর্জাতিক অভিষেক, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের ইনিংস, পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে ৩ কোটি রুপির আইপিএল চুক্তি এবং সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা। সবকিছু ঘটেছে বিরামহীনভাবে।

২২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের কাছে এখনো অবকাশই মেলেনি থেমে দাঁড়িয়ে নিজের পথচলার দিকে তাকিয়ে একটু উপলব্ধি করার। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তার ভাষায়, ক্রিকেট সবসময় সামনে এগোয়। আর সেই স্রোতেই তিনি ভেসে চলেছেন।

তবু অস্ট্রেলিয়ার জার্সির গুরুত্ব তার কাছে স্পষ্ট। তিন সংস্করণেই দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তার ভেতরের ক্ষুধাকে আরও তীব্র করেছে।

এই সাফল্যের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ একটা দিন থেকে। স্কুলের ইংরেজি ক্লাসে বসে থাকা অবস্থায় পাওয়া একটি ফোনকল বদলে দিয়েছিল সবকিছু।ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার রুকি চুক্তির সেই খবরই প্রথমবার তাকে বুঝিয়ে দেয়, ক্রিকেটই হতে পারে তার ভবিষ্যৎ।

পার্থে জন্ম নেওয়া কনোলি নিজের ব্যাটিং গড়ে তুলেছেন শন মার্শকে অনুসরণ করে। কাকতালীয়ভাবে মার্শও আইপিএলে যাত্রা শুরু করেছিলেন পাঞ্জাবের হয়ে। স্কারবরোতে বেড়ে ওঠা এই অলরাউন্ডারের পথচলায় পরিবার ছিল সবচেয়ে বড় ভরসা। বিশেষ করে তার বাবা ছিলেন তার শৈশবের ক্রিকেট কোচ।

মাঠে কনোলির বড় শক্তি তার মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। টপ অর্ডার হোক কিংবা ফিনিশারের ভূমিকায়, সব জায়গাতেই তিনি খেলতে পারেন।এক থেকে সাত – যেকোনো পজিশনে ব্যাট করার সামর্থ্যই তাকে দলে আলাদা করে তোলে। ট্রাভিস হেডের ব্যাটিংও তার কাছে একটি বড় অনুপ্রেরণা।

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে কনোলির উত্তেজনা স্পষ্ট। তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে তার স্বপ্ন টেস্ট ক্রিকেটকে ঘিরে।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link